International

অমর একুশ: করোনার বিধিনিষেধেও পালিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

ঢাকা: প্রথায় ছেদ টানল করোনা। বিশ্বজোড়া সংক্রমণ এখনও কাটেনি। তারই মাঝে বিধি নিষেধের বিশেষ কড়াকড়ি তে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিহীন একুশের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ সরকার শ্রদ্ধা জানাল ভাষা শহিদের প্রতি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে শহিদ চত্বরে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সঙ্গেই বিশ্ব জুড়ে পালিত হতে শুরু করেছে দিনটি। চলতি বছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে রয়েছে কিছু বিশেষ নিয়ম। সশরীরে থাকলেন না রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর তরফে সেনাবাহিনি পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় একুশে ফেব্রুয়ারি দিনের প্রথম সম্মান জানাল।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম। এরপর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানান তাঁর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী। অমর একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাজানো হয়। তবুও ফিকে লাগল ভাষা দিবস৷

ফাল্গুনের বসন্ত বিপ্লব: রক্তাক্ত এক দিন

৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ, রক্তাক্ত এক তারিখ। পাক সরকারের গুলিতে বাংলা ভাষার অধিকার আন্দোলনের শহিদ দিন। বসন্ত বিপ্লবের দিন। নিজের ভাষার অধিকার রক্ষায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যুক্ত পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক রাজধানীতে ভাষা আন্দোলনে গুলি চলে। ভাষার অধিকার চেয়ে শহিদ হন বাঙালিরা। শহিদ আবুল বরকত, আবদুল জব্বার, রফিক উদ্দীন আহমদ, আবদুস সালাম, শফিউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনটি পালন হয়।

সেই আন্দোলনের সফল পরিণতি- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন। ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মদানের দিনটিকে ১৯৯৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে। দিনটি সব দেশেই পালিত হয় যথাযোগ্য মর্যাদায়। শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী নেত্রী রওশন এরশাদ বাণী প্রদান করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

সিনেমার বড় পর্দা থেকে টেলি পর্দার জগতে কতটা সম্মান পাচ্ছেন মেয়েরা? জানাবেন মিডিয়া টিচার অনুজা বাগচী।

Back to top button