Technology

আকারে আকৃতিতে ভেঙে মহাক্ষতিকর হয়ে উঠছে মাইক্রোপ্লাস্টিক

নিউইয়র্ক : মাইক্রোপ্লাস্টিক, পৃথিবীর জন্য এক ভয়ংকর জিনিস, যা প্রকৃতি ও মানুষ উভয়ের ক্ষতি করছে। কিন্তু এবার জানা যাচ্ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শুধু এক ধরনের হয় না। বিভিন্ন ধরণের হয়। এর প্রভাবও তেমনই ভিন্ন ভিন্ন।

বলা হচ্ছে আকার, আকৃতি ও কেমিক্যাল মেক আপের উপর এর ক্ষতি করার ক্ষমতা রয়েছে। ছোট প্লাস্টিক যার আকার ৫ মিলিমিটার তা পৃথিবীর সর্বত্র পাওয়া যায়। বন্যপ্রাণের উপর এর প্রভাব রয়েছে। এগুলিকেই বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক। মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপাদান শারীরিক ও রাসায়নিক চাপ বৃদ্ধি কারক। এটি এক ও বহুবিধ দূষক হিসাবে কাজ করে তা প্রমাণিত। বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিকের দূষণের রাসায়নিক মাত্রা যথাযথ তদন্ত করা যায় না।

প্রসঙ্গত, গত বছরেই এভারেস্টের চূড়ায় মাইক্রোপ্লাসটিক থেকে ছড়ানো দূষণের কথা জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। বিশ্বের সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়ায় পাওয়া গিয়েছিল ছোট ছোট প্লাস্টিক ফাইবার। ওয়ান আর্থ জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছিল এভারেস্টের ব্যালকনিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার কথা, যা প্রায় প্রায় ২৭,৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।

এনভারনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় জানা গিয়েছিল যে, মানুষ বছরে ৩৯ হাজার থেকে ৫২ হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক তৈরি করে। বেশ কয়েকটি গবেষণা থেকে এও জানা গিয়েছিল যে মাইক্রোপ্লাস্টিকে টক্সিন কেমিক্যাল থাকতে পারে। এর ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারও হতে পারে।

প্লাস্টিক এখন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছে। এর থেকে বাঁচতে দ্রুত সমাধান জরুরি। এর জন্য কয়েকটি উপায় রয়েছে যা গ্রহণ করা যেতে পারে-

১. মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ আটকানোর সবচেয়ে ভালো ও প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া হল রিসাইক্লিং। যদিও রিসাইক্লিং এই দূষণ থেকে মুক্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও স্থায়ী সমাধান নয়। এর ফলে প্লাস্টিক পৃথিবী থেকে সম্পূর্ণ মুছে যাবে না। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ রোধের একটি স্মার্ট সমাধান। প্লাস্টিকের পণ্য রিসাইক্লিং মানুষের উপকারে লাগতে পারে। এভাবে প্লাস্টিকের রিসাইক্লিং চলতে থাকলে ভবিষ্যতে সবুজ পৃথিবী এবং উন্নত জীবনের আশা করতে পারে মানুষ।

২. যতটা সম্ভব প্লাস্টিক কম ব্যবহার করা। একটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ভালো পদক্ষেপ। এভাবে উদ্যোগ নেওয়া হলে দেশ থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ নির্মূল করা যেতে পারে। সিঙ্গল ইউজড প্লাস্টিকের দৈনন্দিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এর জন্য সরকার ও স্থানীয় সংস্থাগুলিকে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হবে। ভারত ১৯৬৪ সালে যা প্লাস্টিক উৎপাদন করত এখন তার ২০ গুণ বেশি প্লাস্টিক উৎপন্ন করে। এটাই প্রমাণ করে এবার পরিবর্তনের সময় এসে গিয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব এই পরিবর্তন প্রয়োজন।

৩. যাতে বর্জ্য না তৈরি হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য খাবারের সময় নিজস্ব বাসন ব্যবহার করা, প্লাস্টিকের বোতলে যে জন বিক্রি হয় তার ব্যবহার ছেড়ে দেওয়া, প্লাস্টিকের প্যাকেজিং ছেড়ে দেওয়া ইত্যাদির মতো উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ রোধে যদি প্রতিটি নাগরিক এভাবে

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button