offbeat news

আজব কাণ্ড! করোনা বিধি লঙ্ঘনে মালিক সহ পোষ্য কুকুরকে গ্রেফতার পুলিশের

ইন্দোর: দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে সরকার। অনেক রাজ্যই ইতিমধ্যে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কারফিউ ও লকডাউনের শরণাপন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও কঠোরভাবে করোনা বিধি পালনের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

তারই মধ্য থেকে দেশের সর্বত্র থেকে একের পর এক উঠে আসছে বেনজির কাণ্ড। করোনা বিধি পালনে এবার ইন্দোর পুলিশ এক ধাপ এগিয়ে গ্রেফতার করল মালিক সহ পোষ্য কুকুরকে। জানা যাচ্ছে, কোভিড বিধি অমান্য করায় এহেন কাণ্ড ঘটায় ইন্দোর পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোরের প্যালাসিয়া এলাকায়। সেখানে জারি রয়েছে কারফিউ। কিন্তু তার মধ্যে মালিককে তার পোষ্য কুকুরকে নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখে পুলিশ তাঁদেরকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়।

পুলিশের তরফে জানানো হয় যে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিটি একজন ব্যবসায়ী। তিনি তাঁর পোষ্য কুকুরকে নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। যা কোভিড বিধি লঙ্ঘন বলে দাবি করে তাদেরকে গ্রেফতার করে ইন্দোর পুলিশ। যদিও পুলিশের তরফে তাদেরকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানোর খবরটি অস্বীকার করা হয়।

ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই পশুপ্রেমীরা গর্জে ওঠে এবং কুকুরটিকে গ্রেফতারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হয়। গোটা দেশ যখন করোনার বাড়বড়ন্তে নাজেহাল। তখন এমনই একাধিক ঘটনার নজির নাড়িয়ে দিচ্ছে দেশবাসীকে। এসবের পাশাপাশি, দেশের একাধিক রাজ্য থেকে উঠে আসছে মর্মান্তিক ঘটনাও। কোথাও করোনায় মৃত মা-কে বাইকে চাপিয়ে শ্মশানে নিয়ে যাচ্ছে ছেলে, তো কোথাও করোনা আক্রান্তদের সাহায্যার্থে নিজের অটোকেই অ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে ফেলছেন।

প্রসঙ্গত, করোনা মোকাবিলায় নিযুক্ত কেন্দ্রের এক উচ্চ পদস্থ অধিমারিক গতকাল বুধবারই জানিয়েছিলেন যে, পশুজন্তুদের থেকে করোনা সংক্রমিত হয় না।মানুষ থেকে মানুষেই ছড়ায় এই মারণ ভাইরাস। পাশাপাশি এও বলা হয়েছে, যে করোনার প্রথম ধাক্কার সময় জনগোষ্ঠীতে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠার স্বল্পতা-সতর্কতামূলক বিধিতে শিথিলতার সংমিশ্রণই করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের কারণ।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button