International

আমেরিকার রাজনৈতিক পুনর্নির্মাণের তোড়জোড়, বাইডেনের দলে ২০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনি

নিউ ইয়র্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন জো বাইডেন। ভাইস প্রেসিডেন্টের পদে বসছেন ইন্দো-আমেরিকান মহিলা কমলা হ্যারিস। তবে শুধু বাইডেনের টিমে তিনি একাই ইন্দো-আমেরিকান নেই।

এন্তত ২০ জন ইন্দো-আমেরিকানকে নিয়ে থাকছেন নতুন এই প্রশাসকের দলে। তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মহিলা। প্রত্যেকেই সম্মানিত ও গুরুত্বপর্ণ পদ পেতে চলেছেন বলে খবর। হোয়াইট হাউস অফিস অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট বিভাগের ডিরেক্টর পদে বসতে চলেছেন নীরা ট্যান্ডন। তাঁর বাবা ও মা দুজনেই ভারতীয়।

তিনি প্রোগ্রেসিভ সেন্টার ফর আমেরিকান প্রোগ্রেসের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন। পাবলিক হেলথ সার্ভিস কমিশনে উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন মার্কিন সার্জন ড. বিবেক মূর্তি। করোনা পরিস্থিতিতে যে টাস্ক ফোর্স কাজ করবে সেটি সামলানোর দায়িত্ব বর্তেছে তাঁর উপর।

উজরা জেয়া ২০১৮ সালে বিদেশ মন্ত্রক ত্যাগ করেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি মানতে পারেননি তিনি। এই প্রতিবাদী মহিলাকে বাইডেন শান্তিস্থাপন জোটের সিইও করেছেন। মালা আডিগা জো বিডেনের স্ত্রী জিল বিডেনের সিনিয়র অ্যাডভাইসর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

তিনি জো বিডেন ও কমলা হ্যারিসের ক্যাম্পেনের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইসর। গরিমা বর্মা বিডেন ও হ্যারিসের কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজি উন্নয়ন নিয়ে কাজ করেছেন। এখন তিনি জিল বিডেনের ডিজিটাল এডিটর হিসেবে ‘দ্য ফ্লোটাস’ টিমে যোগ দেবেন।

কাশ্মীরের মেয়ে আয়েশা শাহ বিডেন ও হ্যারিসের নির্বাচনী ক্যাম্পেনে কাজ করেছিলেন। এবার তিনি ‘অ্যাডভান্সমেন্ট বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে স্মিথ সোনিয়ান ইনস্টিটিউশনে যোগ দেবেন। আর এক কাশ্মীরি কন্যা সমিরা ফাজিলি অর্থনৈতিক এজেন্সির দায়িত্ব সামলাবেন। গৌতম রাঘবন নামে আর এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত আগে ওবামার সঙ্গে কাজ করেছেন।

বাইডেনের সঙ্গেও এবার তিনি কাজ করতে চলেছেন। তিনি প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত টিমের অংশ হতে চলেছেন। ভারত রমামূর্তি হবেন রুজভেল্ট ইনস্টিটিউটের কর্পোরেট পাওয়ার প্রোগ্রামের ডিরেক্টর।

এছাড়া মার্কিন কংগ্রেসের অর্থনৈতিক ব্যাপারের সঙ্গেও জড়িত থাকবেন তিনি। জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসের স্পিচ বা বক্তৃতা লিখে দেবেন বিনয় রেড্ডি। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হতে চলেছেন সাবরিনা সিং। অ্যাসিট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারির পদও সামলাবেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর নাম বেদান্ত পাটিল। ওবামা অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সিভিল রাইটস বিভাগের প্রধান ছিলেন বিনীতা গুপ্তা।

বাইডেনের প্রশাসনে তিনি বিচারব্যবস্থা বিভাগের অ্যাসোসিয়েট অ্যাটর্নি জেনারেল। আবহাওয়া সংক্রান্ত নীতির সিনিয়ন অ্যাডভাইসর পদে উপনীত হয়েছেন সোনিয়া আগারওয়াল। হোয়াইট হাউজের কোভিড-১৯ রেসপন্স টিমের পলিসি অ্যাডভাইসর দলে যোগ দিচ্ছেন বিদুর শর্মা।

দেশের নিরাপত্তা পরিষদীয় দলে রয়েছে তিন ভারতীয়। তরুণ ছাবরা, সুমনা গুহ ও শান্তি কালাথিল। প্রথমজন প্রযুক্তি, দ্বিতীয়জন দক্ষিণ এশিয়া এবং তৃতীয়জন মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের বিষয় সামলাবেন।

হোয়াইট হাউজ অফিসে অ্যাসোসিয়েট কাউন্সিল পদে থাকছেন নেহা গুপ্তা এবং ডেপুটি অ্যাসোসিয়েট কাউন্সিল পদে থাকছেন রিমা শা। যদিও বাইজেনের তরফে এখনও এঁদের নাম চূড়ান্ত করা হয়নি।

কিন্তু সূত্রের খবর এই ২০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলিতে বসতে চলেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।

Back to top button