International

আসছে আটলান্টিক এল নিনো, সম্ভাবনা ভয়ঙ্কর বন্যা এবং ব্যাপক খরার

নিউইয়র্ক : আটলান্টিক এল নিনোর প্রভাব পড়তে চলেছে আফ্রিকা থেকে আমেরিকা পর্যন্ত। এমনটাই জানা যাচ্ছে আবহাওয়া সংক্রান্ত নয়া গবেষণা থেকে।

সাধারন এল নিনোর থেকে একটু আলাদা আটলান্টিক এল নিনো। তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু মিল রয়েছে এল নিনো সাউদার্ন অসিলিয়সনের। আটলান্টিক এল নিনো সমুদ্রের উপরিভাগের বাতাসের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে। একই কাজ করে এল নিনো সাউদার্ন ওসিলিয়সন। আটলান্টিক সাগরে এল নিনো তখনই সৃষ্টি হয় যখন আফ্রিকার সাগর, দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর অংশের সমুদ্রের জল স্বাভাবিকের থেকে বেশি গরম হয়ে যায়। এর জেরে ব্যাপক বৃষ্টি ও বন্যার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে পশ্চিম আফ্রিকা, দক্ষিণ নাইজেরিয়াতে। আবার খরা পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে সাহেলে।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণস্থ পর্যাবৃত্ত চক্র হচ্ছে এল নিনোর বায়ুমন্ডলীয় অবস্থার ঠিক বিপরীত অবস্থা। উষ্ণমন্ডলীয় উত্তর এবং উষ্ণমন্ডলীয় দক্ষিণ শান্ত সমুদ্রের মধ্যে এটি একটি পর্যাবৃত্ত চক্র।দক্ষিণস্থ পর্যাবৃত্ত চক্র বা ইংরেজিতে সাউদার্ন অসিলেশনের শক্তিমাত্রাকে সাউদার্ন অসিলেশন ইন্ডেক্স হিসেবে পরিমাপ করা হয়। এই সাউদার্ন অসিলেশন ইন্ডেক্স তাহিতি এবং ডারউইন, অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার উপরিভাগের বায়ুচাপের পার্থক্য থেকে গনণা করা হয়ে থাকে। এল নিনোর ঘটনা প্রবাহ সাউদার্ন অসিলেশন ইন্ডেক্সের ঋণাত্তক বা নেগেটিভ মান সূচিত করে, যার মানে দাঁড়ায়- ডারউইন থেকে তাহিতিতে বায়ুচাপ তুলনামূলকভাবে কম।

এল নিনো হল বায়ুমন্ডলীয় এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের সমুদ্রগুলোর মাঝে একটি পর্যাবৃত্ত পরিবর্তন। এটির সংজ্ঞা এভাবে দেয়া যেতে পারে, যখন তাহিতি এবং ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বায়ুমণ্ডলে চাপের পরিবর্তন সংঘটিত হয় তখন এবং যখন পেরু ও ইকুয়েডর এর পশ্চিম উপকূল থেকে অস্বাভাবিক গরম অথবা ঠান্ডা সামুদ্রিক অবস্থা বিরাজ করে তখন। এল নিনো হচ্ছে পর্যায়বৃত্তের উষ্ণ পর্যায়, আর লা নিনা হচ্ছে শীতল পর্যায়। পর্যায়বৃত্ত এই পরিবর্তনের কোন নির্দিষ্ট সময় নেই, তবে প্রতি ৩ থেকে ৮ বছরের মাঝে দেখা যায়। এই পর্যাবৃত্ত কার্যপ্রণালী এখনও একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিষয়। এটি “এল নিনো দক্ষিণাঞ্চলীয় পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তন” নামেই বেশি পরিচিত।

এল নিনো বন্যা, খরা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে সম্পর্কযুক্ত। উন্নয়নশীল যেসব দেশ কৃ্ষিকাজ এবং মাছ ধরার উপর নির্ভরশীল, তারাই এল নিনো দ্বারা অধিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে।এল নিনো সমুদ্রের উপরিভাগের জলের তাপমাত্রার গড় মানের সাথে তুলনামুলক নীরবচ্ছিন্ন পরিবর্তন। আরও সুনির্দিষ্ট ভাবে বলতে গেলে, পূর্ব-কেন্দ্রীয় গ্রীষ্মমন্ডলীয় শান্ত সমুদ্রের পানির গড়পড়তা তাপমাত্রা যখন কমপক্ষে ০.৫°সেলসিয়াস (০.৯°ফারেনহাইট) হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তখন। যখন এটি পাঁচ মাসের কম সময় ধরে সংঘটিত হয়, তখন এ্টি এল নিনো অথবা লা নিনোর শর্ত পূরণ করে, যদি এই ব্যতিক্রম পাঁচ মাস বা তারও অধিক সময় ধরে চলতে থাকে তখন এটিকে এল নিনো অথবা লা নিনো নামে অভিহিত করা হয়। সাধারণত এটি ২-৭ বছরের যে কোন সময়ে এবং ৯ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত চলতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button