International

ইজরায়েলে নেতানিয়াহু যুগের অবসান, কে হলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী ?

জেরুজালেমঃ ইজরায়েলের (Israel) ইতিহাসে নেতানিয়াহু (benjamin netanyahu) যুগের অবসান। দীর্ঘ ১২ বছর সে দেশের মসনদ সামলেছেন তিনি। যা ছিল ইজরায়েলের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টিকারী। তবে ক্রমে তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে শুরু করেছিল। যার কারনে ইজরায়েলে তৈরি হয় রাজনৈতিক অস্থিরতা। ইজরায়েলে যে শেষ হতে চলেছে নেতানিয়াহু অধ্যায়, এবং বিরোধী দলগুলো এক হয়ে গড়বে সরকার, তা একপ্রকার আন্দাজ করতে পেরেছিল সে দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলিও। রবিবার ১২০ আসনের সংসদে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মনোনীত হলেন নফতালি বেনেট (naftali bennett)।

সে দেশের ১২০ আসনের সংসদে এদিন ৫৯টি ভোট পড়ে নেতানিয়াহুর (netanyahu) পক্ষে এবং নতুন জোট সরকার গড়ার পক্ষে ভোট পড়ে ৬০টি। ইজরায়েলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সুত্রে এও জানা যাচ্ছে যে, নতুন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী (Israel PM) হিসেবে নফতালি বেনেট (naftali bennett) ইতিমধ্যেই শপথ গ্রহণ করেছেন। বিশ্ব রাজনীতিতে বহুলচর্চিত নাম নেতানিয়াহু। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় এবং বহু অভিযোগে অভিযুক্ত বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাংসদ দখল করল বিরোধীরা।

বিবি’র বিদায়। এই ‘বিবি’ যে সে বিবি নন, ইসরায়েলের গত ১২ বছর ধরে দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (benjamin netanyahu)। আজ রবিবার ইসরায়েলের পার্লামেন্টে নতুন সরকারের শক্তিপরীক্ষা সংঘটিত হয়েছে। সেখানেই নেতানিয়াহু ওরফে ‘বিবি’র বিদায় ঘটল।

আগেই জানা যাচ্ছিল, এই বিদায় যে শুধু ইজরায়েলের রাজনীতিতে একটা সন্ধিক্ষণ তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি থেকে সরে গেলে, ‘বিবি’র জেল যাত্রা অনিবার্য (benjamin netanyahu)। কারণ জেরুজালেমের (Jerusalem) আদালত ইতিমধ্যেই দুর্নীতির অভিযোগে নেতানিয়াহুকে দোষী সাব্যস্ত করে রেখেছে। ইতিমধ্যেই নেতানিয়াহুর পার্টি লিকুদ পার্টির (likud party) অন্য বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধেও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে আদালত কারাবাসের শাস্তি শুনিয়েছে। অন্যদিকে দেশের বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্র্যান্ত পরিস্কারই জানিয়ে দিয়েছেন, গাজা ভূখন্ড নিয়ে কোনওকিছু বলা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার মাননীয় বিবির (benjamin netanyahu) নেই। যার ফলে বাম-ডান নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে উদ্যোগী হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button