International

ইন্দো প্যাসিফিক জোনে একাধিক মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, তৎপরতা বেজিংয়ে

ওয়াশিংটন-বেজিংঃ  শুধু ভারতের সঙ্গে সংঘাত নয়, বিভিন্ন দেশের নজরে এখন বেজিং। একে তো করোনার কারণে গোটা বিশ্ব চিনকেই দায়ী করেছে। যা নিয়ে যথেষ্ট চাপে বেজিং। আর এই উত্তেজনার মধ্যেই ইন্দো প্যাসিফিক জোনে একাধিক মার্কিন যুদ্ধজাহাজ।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ চিন সাগরে রীতিমতো যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। লাদাখ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে চিনের বিবাদ চলছিল গত কয়েকদিন ধরেই। আর সেই সময়েই তিনটি মার্কিন রণতরী এসেছিল ইন্দো প্যাসিফিক জোনে। দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে। একের পর এক মহড়া চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা শক্তি প্রদর্শনে একাধিক মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ। যা নিয়ে চরমে উত্তেজনা।
শোনা যাচ্ছে, আরও যুদ্ধ জাহাজ পাঠাচ্ছে আমেরিকা। ইতিমধ্যে যুদ্ধ জাহাজগুলি দক্ষিণ চিন সাগরের দিকে রওনা হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিগত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে লাগাতার দক্ষিণ চিন সাগরে বেজিংয়ের নৌবাহিনীর অতি সক্রিয়তা ও মহড়ার কারণেই এবার মার্কিন রণতরী থেকে যুদ্ধবিমানও চূড়ান্ত টহলদারি শুরু করেছে।
মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে, অতিআধুনিক ইউএসএস রোনাল্ড রেগন এবং ইউএসএস নিমিৎজ ডুয়াল ক্যারিয়ার মহড়া শুরু করেছে। কারণ দক্ষিণ চিন সাগরের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ নিজেদের দখলে রাখতে চিন এখানে অতি সক্রিয়তা শুরু করেছে। মার্কিন দু’টি কমব্যাট কেরিয়ার যেভাবে আগ্রাসীভাবে মহড়া দিতে শুরু করেছে তাতে চিন বাধ্য হয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন নৌবাহিনী অতি সক্রিয়তার সীমা লঙ্ঘন করছে। এদিকে মার্কিন রণতরীর এই তৎপরতার সঙ্গে সঙ্গে ফিলিপিন্সও চিনকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

তাঁরা বলেছে, দক্ষিণ চিন সাগর থেকে অবিলম্বে সরে যেতে হবে বেজিংকে। অন্যথায় ফিলিপিন্স বাধ্য হবে প্রত্যাঘাতের পথে যেতে। এদিকে জাপান এবং চিনের মিসাইল একপ্রকার মুখোমুখি মোতায়েন রয়েছে গত মাস থেকেই। সব মিলিয়ে লাদাখ সীমান্তে ভারতের বিরুদ্ধে চীনা সেনাবাহিনীর অতি আগ্রাসী আচরণের পাশাপাশি একের পর এক দেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্কেরও চরম অবনতি হচ্ছে।

এমনকী মায়ানমারও সম্প্রতি চিনকে দায়ী করেছে তাদের দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য। সুতরাং চিন আন্তর্জাতিকভাবে রীতিমতো কোণঠাসা। এই পরিস্থিতিতেই ভারতের বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীতে আসছে অ্যাসট্রা মিসাইল। সম্পূর্ণ ভারতে তৈরি মোট ২৪৮টি অ্যাসট্রা মিসাইল আসবে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রকও এতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। রাশিয়া থেকে ৪০০ এস এবং এই অ্যাসট্রা মিসাইল যুক্ত হলে ভারতের এয়ার টু এয়ার, সারফেস টু এয়ার এবং এয়ার টু সারফেস গোত্রের মিসাইল রেঞ্জ ও আঘাত করার ক্ষমতা এক ধাক্কায় বেড়ে যাবে অনেকটাই।

কলকাতার ‘গলি বয়’-এর বিশ্ব জয়ের গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close