International

ইন্দোনেশিয়া আকস্মিক বন্যায় ৯০ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ বহু

জাকার্তা: ইন্দোনেশিয়া ও পূর্ব তিমুরে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭, এখনও ডজনের উপর মানুষ নিখোঁজ। শনিবার রাত থেকে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপ থেকে শুরু করে প্রতিবেশী দেশ ‍পূর্ব তিমুরে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়।রবিবার পর্যন্ত মুষলধারে চলতে থাকে সেই বৃষ্টিপাত। তারফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়।

আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, বন্যার জল বাঁধ উপছে দ্বীপগুলোর মধ্যে থাকা হাজার হাজার ঘরবাড়ি ডুবিয়ে দেয়।জাকার্তা ভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উদ্ধারকারীরা জীবিতদের খোঁজে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন আর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির মুখপাত্র রাদিত্য জাতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “চারটি জেলা ও সাতটি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠে থাকা টিমগুলোর তথ্য যাচাইয়ের পর আমরা দেখছি যে ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং নয় জন আহত হয়েছেন।’

তবে পূর্ব ফ্লোরেসের উপপ্রশাসক আগুস্টিনাস পাইয়ং বোলির হিসাবে তার এলাকায় প্রায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে; কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার সরকারি কর্তৃপক্ষ সংখ্যাটি নিশ্চিত করেনি। লামানেলে গ্রামে অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে কারণ গ্রামটিতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস উভয় ঘটনা একসাথে ঘটেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রতিবেশী পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে বন্যায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।পূর্ব তিমুরের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী জোয়াকিম জোসে গুজমাও জানিয়েছেন, আশপাশের যে গ্রামগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি আহতদের সেখানে এবং স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোডো এই বন্যায় মৃত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বলেছেন, এই বিপর্যয়ের ফলে আমার ভাই-বোনদের যে ক্ষতি হয়েছে তা আমরা বুঝতে পারছি। যারা বাড়ি হারিয়েছে তাদের দ্রুত বাড়ির ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই বন্যাপ্রবন এলাকায় খাবার, ওষুধ বিতরণ করা শুরু হয়েছে।

বর্ষাকালে ইন্দোনেশিয়া দ্বীপপুঞ্জজুড়ে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস একটি নিয়মিত ঘটনা। সাধারণত মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এখানে বর্ষাকাল থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button