Islam

ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ে ১৩ নির্দেশনা

মহামা’রি করো’নাভাই’রাসের সংক্রমণ ঠেকাতে উন্মুক্ত স্থানে বড় পরিসরের পরিবর্তে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত ম’সজিদে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ধ’র্ম মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ধ’র্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাখাওয়াৎ হো‌সেন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি বি’জ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

ম’সজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের জন‌্য মু’সল্লিদের বেশি কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাগুলো হলো-

১। বর্তমানে সারা বিশ্বসহ আমাদের দেশে করো’নাভাই’রাস পরিস্থিতিজনিত ওজরের কারণে মু’সল্লিদের জীবন ঝুঁ’কি বিবেচনা করে এ বছর ঈদুল আজহার জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ ম’সজিদে আদায় করতে হবে। প্রয়োজনে একই ম’সজিদে একাধিক জামাত আদায় করা যাবে।

২। ঈদের নামাজের জামাতের সময় ম’সজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ ম’সজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মু’সল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

৩। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে ম’সজিদে আসতে হবে এবং অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৪। করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে ম’সজিদে অজুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৫। ম’সজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে।

৬। ঈদের নামাজের জামাতে আগত মু’সল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে ম’সজিদে আসতে হবে। ম’সজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৭। ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে এবং এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

৮। শি’শু, বৃদ্ধ, যে কোনো ধরনের অ’সুস্থ ব্যক্তি এবং অ’সুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামাতে অংশগ্রহণ করবেন না।

৯। সর্বসাধারণের সুরক্ষার নিমিত্ত স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

১০। করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ রোধ কল্পে ম’সজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করতে হবে।

১১। করো’নাভাই’রাস মহামা’রি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ই’মাম’দের অনুরোধ করা হলো।

১২। খতিব, ই’মাম, ম’সজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার অনুরোধ করা হলো।

১৩। পশু কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রা’ণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close