offbeat news

ঈশ্বরের মন্দির নির্মাণ করেন স্বয়ং ঈশ্বরই!

তামিলনাড়ু: ভারতে ও ভারতের বাইরেও ঈশ্বরের মহিমার শেষ নেই। বলা যায় সারা পৃথিবী ঘুরলেও হয়তো সেই মহিমার শুরু আর শেষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। ঈশ্বরের পৃথিবীব্যাপী পরিচয় নানা রূপে, নানা বিশ্বাসে। তবে ঈশ্বরের কাছে আশীর্বাদ পেতে নির্মাণ করেন তার মন্দির আবার কেউ স্বয়ং ঈশ্বরের আদেশ পেয়েই নির্মাণ করেন সেটি। কিন্তু এমন কি শুনেছেন যে ভগবান নিজেই তার জন্যে গৃহ বা মন্দির বানিয়েছেন? কতটা সত্যি এই তথ্য বা বিশ্বাস? হ্যাঁ, ভারতের দক্ষিণে তামিলনাড়ুতে মন্দির শহর তাঞ্জোরে এমন এক মন্দির পাওয়া গিয়েছে। তার নাম বৃহদেশ্বরের মন্দির। হিন্দু ধার্মিকদের কাছে এই মন্দির আবার “রাজারাজেশ্বরের মন্দির” নামেও খ্যাত। এখন এই মন্দিরকে “বিশ্ব হেরিটেজ” হিসাবে স্থান দেওয়া হয়েছে।

মন্দিরটির চূড়ায় একটি ৮০ টন ওজনের গোলাকার কুম্বম রয়েছে যেটি নাকি একটি মাত্র গ্রানাইট পাথর কেটে তৈরি করা হয়েছিলো। কিন্তু ২১৬ ফুট উঁচু এই মন্দিরটির মাথায় কীভাবে অটো ভারী একটি পাথর তোলা হলো সেটিও বেশ রহস্যের। দ্রাবিড় স্থাপত্যকলা অনুসরণ করা হয়েছে ১০১০ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দির নির্মাণে। কথিত আছে যে বিশাল এই শিব মন্দিরটি তামিল মহারাজা রাজা রাজা চোলা স্থাপন করেন। রাজা নাকি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন এমন মন্দির নির্মাণের জন্যে।

আরো পোস্ট-  মা হতে চলেছেন…বর্জন করুন এই পানীয়

মন্দিরের নির্মাণ কৌশল ও শিল্পকলা পরবর্তীকালে এক বিশেষ শিল্পরীতির জন্ম দিয়েছিলো যা সেই বংশের সাক্ষ্য বহন করছে। মন্দিরের ভেতর যে ৫ মিটার লম্বা নৃত্যরত শিবের মূর্তিটি রয়েছে তা দেখলে মনে হবে যেন সত্যিই নটরাজ সামনে উপস্থিত হয়েছেন। মোট ৮১টি নৃত্যেরত মূর্তি রয়েছে ভেতরে।

এছাড়া “অষ্ট-দিকপালক” অর্থাৎ ইন্দ্র, অগ্নি, যম, বরুণ, নৈঋত, বায়ু, ঈশান, কুবেরের মূর্তিও রয়েছে। চন্দ্র, সূর্য, দক্ষিণ মূর্তি রয়েছে দেওয়ালগুলিতে। পাঁচ বছর ধরে নাকি চলেছিল এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ। বাস্তু শাস্ত্র মেনে সম্পূর্ণ মন্দিরের নকশা বানানো হয়েছে এবং সেটি বানিয়েছেন কুনজারা মাল্লান রাজা রাজা পেরুনথাচান। কিছুটা ইউরোপীয় শিল্পের প্রভাব রয়েছে মন্দিরে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button