International

উত্তর সিরিয়ার হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১৮

বেইরুট: উত্তর সিরিয়ার (Syria) বিদ্রোহীদের দখলে থাকা (rebel-held city) আফরিন (Afrin) শহরের একটি হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হল শনিবার। ঘটনায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই রোগী। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস (Syrian Observatory for Human Rights) জানিয়েছে, তুর্কি সমর্থিত বিদ্রোহীদের হাতে ছিল থাকা শহরের এই আল-শিফা হাসপাতাল (Al-Shifaa hospital)। হাসপাতালের একজন চিকিৎসক, ৩ কর্মচারী, দু’জন মহিলা মারা গিয়েছেন। এছাড়া দুই শিশুরও মৃত্যু ঘটেছে এই দুর্ঘটনায়। প্রসঙ্গত এই হাসপাতালটি উত্তর সিরিয়ার অন্যতম বড় হাসপাতাল।

এক বিদ্রোহী কমান্ডারও হাসপাতালে ছিলেন। তাঁরও মৃত্যু হয়েছে। অবজারভেটরির তরফে জানানো হয়েছে ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৩ জন আহত হয়েছেন বলে খবর। অবজারভেটরি ডিরেক্টর রামি আবদেল রহমানে (Rami Abdel Rahmane) জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র শহরটির বেশ কয়েকটি অঞ্চলকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল। তার মধ্যে হাসপাতালেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। মনিটরিং গ্রুপ এক বিবৃতিতে বলেছে, বেশিরভাগই হাসপাতালে ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে মারা গিয়েছেন। এও জানানো হয়েছে, আহতদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ব্রিটিশ ভিত্তিক এই গোষ্ঠী জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলি উত্তর আলেপ্পো (Aleppo) প্রদেশ থেকে ছোঁড়া হয়েছিল। সেখানে ইরান ও সিরিয়ার সেনা মোতায়েন রয়েছে। এই জোনটি কুর্দিশ ফোর্স (Kurdish forces) নিয়ন্ত্রিত।

তবে কুর্দিশ (Kurdish) নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (Syrian Democratic Forces বা SDF) একটি বিবৃতি জারি করে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। গোটা ঘটনার পিছনে প্রকৃতপক্ষে কারা দায়ী তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তুর্কিপন্থী বিদ্রোহীদের হাতে থাকা সমস্ত অঞ্চলের মতো এই অঞ্চলটিও নিয়মিত লক্ষ্যবস্তু হত্যা, বোমা হামলা ও গোলাগুলির সাক্ষী। ২০১১ সালে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এখনও পর্যন্ত সংঘাতের ফলে প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরেও আশ্রয় নিয়েছেন বহু মানুষ। এখনও পর্যন্ত দেশে শান্তির বাতাবরণ ফেরেনি। এর প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতেও।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button