International

একসঙ্গে ১০ সন্তানের জন্ম, গিনেস বুকে নাম তুললেন দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণী

কেপ টাউন: যমজ সন্তানের কথা শোনা যায়। এমনকী একজন মহিলা একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, এমন ঘটনাও ঘটে। কিন্তু একসঙ্গে ১০ জন সন্তানের জন্ম! শুনতে আজব লাগলেও ঘটনাটা কিন্তু আদ্যোপান্ত সত্যি। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) এক মহিলা একসঙ্গে ১০ জন শিশুর জন্ম দিয়েছেন।

ওই মহিলার নাম গসিয়ামে থামারা সিথোলে (Gosiame Thamara Sithole)। সম্প্রতি তিনি ১০ সন্তানের মা হয়েছেন। ৭ ছেলে ও ৩ মেয়ের জন্ম দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনার পর রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে মালির (Mali) মহিলা হালিমা সিজের (Halima Cisse)। মে মাসে তিনি একসঙ্গে ৯ সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। তারপর গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে (Guinness World Record) নাম ওঠে তাঁর। কিন্তু এক মাসের মধ্য়েই সেই রেকর্ড তাঁর হাত থেকে বেরিয়ে গেল। আর তা চলে গেল গসিয়ামের হাতে। তবে তিনি যে ১০ সন্তানের জন্ম দেবেন তা কিন্তু প্রথম দিকে তিনি নিজেই জানতেন না। চিকিৎসকরা তাঁকে বলেছিলেন একসঙ্গে ৬ সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন তিনি। তারপর যখন স্ক্যান করা হয়, তখন চিকিৎসকেরর ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। দেখা যায় ৮ সন্তান রয়েছে গসিয়ামের গর্ভে। কিন্তু সেই রিপোর্টও ভুল প্রমাণিত হয়ে যায় গ্যাসিয়ামের প্রসবের পর। ১০ জন সন্তানের জন্ম দেন তিনি।

গসিয়ামে থাকেন থেম্বিসা (Thembisa) শহরে। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একুরহুলেনির (Ekurhuleni) একটি শহর। সিজারের মাধ্যমে গসিয়ামে তাঁর ১০ সন্তানের জন্ম দেন। প্রেটোরিয়ার (Pretoria) একটি হাসপাতালে হয় তাঁর সার্জারি। তাঁর অস্ত্রোপচার নিয়ে যথেষ্ট আশঙ্কায় ছিলেন চিকিৎসকরা। তাই প্রসবের পর ১০ শিশুকেই কয়েকদিনের জন্য ইনকিউবেটারে (incubators) রাখা হয়। তারপর তাঁদের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। এখন মা ও শিশুরা সবাই সুস্থ রয়েছেন। ওই ১০ সন্তানের বাবা টেবোহো সোটেটসি (Teboho Tsotetsi) গোটা ঘটনায় যতটা অভিভূত, ততটাই বিহ্বল। ১০ সন্তান সুস্থ থাকায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। টেবোহো ও গসিয়ামে র আরও ২ সন্তান রয়েছে। তাঁদের বয়স ৬ বছর।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button