Technology

এলজি স্মার্ট ফোনের বিভাগটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ

কলকাতা: বিশ্বব্যপি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক কোম্পনি এলজি তাদের স্মার্ট ফোন প্রস্তুত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাউথ কোরিয়ান এই কোম্পানি সোমবার স্মার্ট ফোনে জগতে আর্থিক ক্ষতির কারণে এই সিদ্ধন্ত। বাজার থেকে প্রত্যাহারের জন্য এটি প্রথম স্মার্ট ফোন ব্র্যান্ড হিসেবে মাইলস্টোন হয়ে থাকবে।

এলজি তাদের এই ফোন প্রত্যাহারের ফলে উত্তর অ্যামেরিকায় প্রায় ১০ শতাংশ ভাগ ছেড়ে দেবে। অ্যাপেল এবং স্যামসং এর পরে এটি সেই দেশে ফোনের দিক থেকে ৩ নম্বর ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত ছিলো।

বাজারে ফোনের বিক্রির দিকে নজর দিলে দেখা যাবে দীর্ঘ ছয় বছরে এই কোম্পানি $৪.৫ বিলিয়ন অর্থাৎ ভারতীয় মূল্যের হিসেবে ৩৩,০১০ কোটি টাকা লোকসান করেছে। ফোনের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র বাদ দিয়ে এলজি বৈদ্যুতিক গাড়ির উপাদান, সংযুক্ত ডিভাইস এবং স্মার্ট হোমগুলির বিভাগে বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ করবে বলে জানিয়েছে এক বিবৃতিতে।

এলজি আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা সহ বেশ কয়েকটি সেলফোন উদ্ভাবনগুলির সঙ্গে বাজারে নেমেছিলো এবং ২০১৩ সালে স্যামসং এবং অ্যাপলের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক সংস্থা হিসেবে পরিচিতি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলো।

পরবর্তী সময়ে সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার এর ক্ষেত্রে আপডেটের মাত্রা কম করায় এলজি ক্ষতির সম্মুখীন হতে থাকে। অনেক সমালোচক চীনা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় বিপণনে দক্ষতার অভাবের জন্যও সংস্থাটির সমালোচনা করেছেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে ফোনের জন্য এলজির শেয়ার রয়েছে মাত্র ২ শতাংশ। গত বছর যেখানে স্যামসং-এর ক্রয় করার গ্রাহকের পরিমাণ ছিলো ২৫৬ মিলিয়ন, সেখানে এলজির ফোন ক্রয় করার গ্রাহকের সংখ্যা মাত্র ২৩ মিলিয়ন। উত্তর অ্যামেরিকায় প্রতিযগিতার দিকে এই এলজি ব্র্যান্ড স্মার্ট ফোন ব্র্যান্ড ৩ নম্বরে থাকার পাশাপাশি ল্যাটিন অ্যামেরিকায়ও এর স্থান ছিলো ৫ নম্বরে।

এলজির পাশাপাশি অন্যন্য বড়ো ফোন প্রস্তুত কারক সংস্থা নোকিয়া, এইচটিসি এবং ব্ল্যাকবেরি ব্র্যান্ডগুলিও উচ্চতা থেকে নেমে গেছে। তবে তার এখনও বাজার থেকে পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়নি এই প্রতিষ্ঠানগুলি।

পাচটি বিভাগের মধ্যে এলজির স্মার্ট ফোনের বিভাগটি সবথেকে ছোটো, কারণ এর আয় ৭ শতাংশ। ৩১ জুলায় এর মধ্যে এটি তুলে নেওয়া হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button