Economy

করোনা পরবর্তী বিশ্ববাণিজ্যের সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা: কোভিড-১৯ পরবর্তী পরিবর্তিত বিশ্ববাণিজ্যের ধরনও পাল্টে যাবে। আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সে সুযোগ কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ।

বুধবার ( ২০ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সংক্রান্ত এক সভায় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকনোমিক জোনে বিশ্বের অনেক দেশ ও প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে এগিয়ে এসেছে। চলমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জাপান চীন থেকে তাদের বিনিয়োগ অন্য দেশে স্থানান্তরের কথা বলছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এতে করে বাংলাদেশের জন্য একাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ জন্য বাংলাদেশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। বাণিজ্য সহজিকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সুযোগ সুবিধা বিশ্ববাসীকে জানাতে হবে।

বলেন, বিনিয়োগকারীরা ঝামেলা মুক্ত বিনিয়োগের পরিবেশ চায়। বিশ্বের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের তালিকা তৈরি করে তাদের কাছে বাংলাদেশে বিনিয়োগ পলিসি এবং সুযোগ সুবিধাগুলো তুলে ধরতে হবে। ডাইরেক্ট ফরেন ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই) এর জন্য বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আব্দুল মোমেন, এমপি, বলেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দু’টি খাত একটি রপ্তানি অপরটি রেমিটেন্স। চলমান পরিস্থিতিতে তৈরী পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ক্রয় আদেশ বাতিল না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। অনেক দেশ ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ক্রয় আদেশ বাতিল করবে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ঔষধ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের যাতে থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার কোন সমস্যা না হয়, সেজন্য অনুরোধ জাননো হয়েছে। এ দায়িত্ব পালনের নিশ্চয়তা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। সময়পযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ আসবে এবং রপ্তানিও অনেক বাড়বে।
শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, ‘দেশে শিল্প কলকারখানা স্থাপনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ বান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে। আমাদের বিনিয়োগ পলিসি বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জানাতে হবে। আমরা সবধরনের সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত। দেশে বিকল্প কারখানা গড়ে উঠলে কর্মসংস্থান বাড়বে।’
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে। সময় নষ্ট না করে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। দ্রুত তালিকা তৈরী করে বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগযোগ করে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পলিসি ও সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনে এজন্য একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা যেতে পারে।
সারাবাংলা/জেআর/জেএইচ

সূত্রঃ সারাবাংলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close