International

করোনা রুখতে ভ্যাকসিন গ্রহণের আহ্বান মাইকেল কেন ও স্যর এল্টন জনের

ওয়াশিংটন: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেশামাল গোটা দেশ। নিত্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। স্বাভাবিক ভাবেই আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে করোনার অতিমারি রুখতে প্রত্যককে ভ্যাকসিন গ্রহণের আহ্বান জানালেন মার্কিন অভিনেতা মাইকেল কেন এবং সঙ্গীতশিল্পী স্যার এল্টন জন।

দেশে দৈনিক সংক্রমণ রেকর্ড ছারিয়ে যাচ্ছে। বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা নেই, অক্সিজেন নেই, ওষুধ নেই। করোনায় প্রাণদায়ী ওষুধ রেমডিসেভির নিয়ে চলছে কালোবাজারি। ৬ টি ফাইল রেমডিসেভিরের দাম ৩৫০০ থেকে ৫৮০০ টাকা। সেখানে কালোবাজারি করে এই ওষুধের দাম কেউ হাঁকছে ১ লাখ ২০ হাজার, কেউ চাইছে ১ লাখ ৮০-৯০ হাজার। প্রিয়জনের প্রান বাঁচাতে মরিয়া হয়ে সেই দামেই ওষুধ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে। কিন্তু যাদের কাছে সেই অর্থ নেই তারা প্রান হারাচ্ছেন। এছাড়া অক্সিজেনের অভাবে বিগত কিছুদিনে কয়েক হাজার রোগী প্রান হারিয়েছেন। ভারতের এই নির্মম পরিস্থিতি দেখে মার্কিন অভিনেতা মাইকেল কেন এবং সঙ্গীতশিল্পী স্যার এল্টন জন এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, করোনাকে হারাতে সকলের ভ্যাকসিন নেওয়া এখন অত্যন্ত জরুরি।

গতকাল ছিল ১লা মে। কাল থেকেই ১৮ বছরের উর্দ্ধদের টীকাদানের কথা। কিন্তু ইতিমধ্যেই বহু জায়গায় টীকার আকাল দেখা দিয়েছে। যোগানের তুলনায় চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বহু হাসপাতাল পর্যাপ্ত যোগান দিতে পারছে না। তাই সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (Serum Institute of India) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই মাসের আগে ১৮ বছরের উর্দ্ধরা টীকা পাবেন না। সূত্রের খবর, টীকার চাহিদা যোগানের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় ইনস্টিটিউটের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই প্রাথমিকভাবে ৪৫ বছরের উর্দ্ধের ব্যক্তিদের টিকাদানেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে মোদী সরকারের উপর আঙুল উঠেছে। সরকার টীকার পর্যাপ্ত যোগানের ব্যবস্থা না করে কেন ঢাকঢোল পিটিয়ে ১লা মে থেকে ১৮ বছরের উর্দ্ধদের টীকাদানের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট আক্রান্ত ৩ লাখ ৯২ হাজার ৪৮৮ জন। যা আগের দিনের সংক্রমণের তুলনায় কিছুটা কম। তবে মৃত্যু সংখ্যা অব্যাহত। ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৮৯ জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button