International

করোনা সংকটে এয়ারবাসে ১৫,০০০ কর্মী ছাঁটাই

প্যারিস: করোনা মহামারীর জেরে যেভাবে বিমান পরিবহন ধাক্কা খেয়েছে তার ফলে এখন চরম সংকটে এয়ারবাস। এই পরিস্থিতিতে বাঁচতে বছর খানেকের মধ্যে সংস্থাটি ১৫০০০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যে জার্মানিতে ৯০০ জন চিহ্নিত হয়ে আছেন।
এয়ারবাস তার ব্যবসায়িক ক্ষতি নিয়ে চিন্তিত। এর ৫৫ বিলিয়ন ইউরো (৬১.৮ বিলিয়ন ডলার) জেট ব্যবসার ৪০ শতাংশ ধাক্কা খেয়েছে মহামারীতে। এখন আপাতত ইউরোপের সরকারগুলির কাছ থেকে পাওয়া ত্রাণ এবং ভবিষ্যতে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তার মধ্যে একটা ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
যখন একপ্রকার লড়তে হচ্ছে বাধ্যতামূলক অতিরিক্তের কথা ভেবে তখনই কিন্তু আবার ভাবতে হচ্ছে এই ব্যাপারে সরকার এবং ইউনিয়নের কঠিন কথা মুখোমুখি হতে পারে। ২০০৮ সালে একটা পুনর্গঠন ব্যবস্থা নিতে গেলে ধর্মঘট প্রতিবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
সিএফই-সিজিসি ইউনিয়নের নেতা ফ্রাঙ্কোসি ভ্যালিনের বক্তব্য, যা পরিস্থিতি চাকরি রক্ষা করাটা একটা কঠিন লড়াই। ইউরোপের সর্ববৃহৎ এয়ারোস্পেস গ্রুপ জানিয়েছে, ফ্রান্সে ৫০০০টি পদ, জার্মানিতে ৫১০০, স্পেনের ৯০০, ইউকে তে ১৭০০ এবং অন্যান্য জায়গায় ১৩০০ পদ বিলুপ্ত হতে পারে ২০২১ সালের মাঝামাঝি। এখানেই সংখ্যাটা ১৪০০০। এই সংকটের আগেই অবশ্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল জার্মানিতে আরও ৯০০ জন কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা।

গত ৩ জুন রয়টার্স প্রতিবেদনে জানিয়েছিল ১৪,০০০ ছাঁটাইয়ের কথা তবে ইউনিয়ন আশঙ্কা করছে এই সংখ্যাটা ‌১৫০০০ হতে পারে।

ব্রিটেনের ইউনাইট ইউনিয়নের মতে, এটা শিল্প ক্ষেত্রে নৈরাজ্য। ফ্রান্সের কট্টর বাম ইউনিয়ন এবং অন্যান্যরা জানিয়েছে, এই বাধ্যতামূলক ছাঁটাইয়ের বিরোধিতা করা হবে। তাছাড়া এক্ষেত্রে ফ্রান্সের রাজনৈতিক দিক থেকেও সহায়তা চেষ্টা চলছে যেখানে প্রেসিডেন্ট এমানিউল ম্যাক্রন সরকার ঘোষণা করেছে বিমান পরিবহন ক্ষেত্রের জন্য ১৫ মিলিয়ন ইউরোর প্যাকেজ।
এয়ারবাস একেবারে বরখাস্ত করার বদলে, স্বেচ্ছা অবসর, সময়ের আগে অবসর ইত্যাদি ব্যবস্থা নিচ্ছে। চিফ এক্সিকিউটিভ গুইলম ফৌরি দাবি করেছেন, শিল্পক্ষেত্রের এই সংকটকালে তাদের কাছে বিকল্প আর কোনও রাস্তা নেই।

কলকাতার ‘গলি বয়’-এর বিশ্ব জয়ের গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close