Technology

কসমিক লেন্স দিয়ে আবৃত এক ডজন কোয়েসার আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা

নয়াদিল্লি: মহাকাশে এক বিস্ময়কর আবিষ্কার করলেন একদল জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তাঁরা এমন এক ডজন আপাত-নক্ষত্র বা কোয়েসার আবিষ্কার করেছেন যা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে যাওয়া মহাজাগতিক বা কসমিক “লেন্স” দিয়ে আবৃত। যার ফলে চারটি একই রকমের ইমেজ তৈরি হচ্ছে। এই কোয়েসার আসলে হল এক ধরনের আপাত-নাক্ষত্রিক বেতার উৎস। একটি তড়িৎ চৌম্বকীয় শক্তির উৎস। এর থেকে লাল আলো বের হয়।

এক্ষেত্রে চারটি একই রকম ছবি ধরা পড়েছে। জানা গিয়েছে এই কোয়েসারগুলি দূরবর্তী ছায়াপথে অবস্থিত। সেখানেই ছায়াপগুলি চূড়ান্ত আলোকিত করার কেন্দ্র এগুলি। আর এই নক্ষত্রগুলি চালিত হয় সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোল দ্বারা। এই বিরল আবিষ্কারের ফলে পরিচিত কোয়েসারের সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ পেয়েছে। এটি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের হার নির্ধারণ করতে এবং অন্যান্য রহস্য সমাধানের ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে সহায়তা করতে পারবে। চারদিকে চিত্রযুক্ত কোয়েসার মহাজগতে বিরল। প্রথম এই ধরনের ছবি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল। গত চার দশক ধরে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এই চার চিত্রযুক্ত প্রায় পঞ্চাশটি কোয়েসারের সন্ধান করেছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (DST) তরফে জানানো হয়েছে একটি বৃহৎ আকৃতির ছায়াপথের মহাকর্ষ যখন একটি কোয়েসারের বিভাজনের সামনে আসে তখন একটি চিত্রের বদলে চারটি ছবি তৈরি হয়।

Quadruply-imaged quasars, like those found by @ESAGaia, are unique tools to learn more about dark matter and the expansion rate of the Universe 👉https://t.co/IVeDsQ7Fr7

Image credit: R. Hurt (IPAC/Caltech)/The GraL Collaboration pic.twitter.com/ketC10OLGR

— ESA Science (@esascience) April 8, 2021

গাইয়া গ্র্যাভিটেশনাল লেন্স ওয়ার্কিং গ্রুপ (Gral)-এর মহাকাশ বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। এই গবেষণায় নৈনিতালের আর্যভট্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব অবজারভেশনাল সায়েন্সেসের (ARIES)-এর বিজ্ঞানীরাও যুক্ত ছিলেন। এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের একটি সংস্থা। কেবল দেড় বছর ব্যাপী অনুসন্ধান চালান তাঁরা। মেশিনের শক্তির সাহায্যে এই মহাজাগতিক রত্নগুলির জন্য তাঁরা অনুসন্ধান করছিলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ জানিয়েছে, এই অনুসন্ধান ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিকাল জার্নাল’-এ প্রকাশের জন্য এই গৃহীত হয়েছে। আমেরিকার জেট প্রপুলেশন ল্যাবরেটরির তরফে জানানো হয়েছে “কোয়ার্সেস বা কোয়াড হল প্রত্যের প্রশ্নের উত্তরের জন্য সোনার খনি। এগুলি মহাবিশ্বের প্রসারণের হার নির্ধারণ করতে সক্ষম। এছাড়া ডার্ক ম্যাটার এবং কোয়ারের মতো অন্যান্য রহস্যের সমাধান করতে সহায়তা করতে পারে কোয়ারের সেন্ট্রাল ইঞ্জিন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button