International

কূটনীতির চালে বাজিমাত ভারতের, নেপালকেই আগে ভ্যাকসিন দেওয়ার বার্তা

কাঠমান্ডু : এক ঢিলে দুই পাখি। একদিকে নেপালের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক ঝালাই করে নিচ্ছে ভারত, অন্যদিকে চিনকে টেক্কা দিয়ে ফের ভারত-নেপাল কাছাকাছি। প্রায় এক বছর ধরে উদ্ভুত করোনা পরিস্থিতির সুযোগে এবার চিনকে হঠিয়ে নেপালের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি। সেই বার্তাই দিয়েছেন বিদেশ সচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংগলা।

সম্প্রতি নেপাল সফরে গিয়ে শ্রিংগলা জানিয়েছেন বন্ধু দেশগুলিতে ভারত করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে। আর সেই তালিকায় একদম ওপরের দিকে রয়েছে নেপাল।

ভারত যে ভ্যাকসিনে অনুমোদন দেবে, তা বন্ধু রাষ্ট্র নেপালে আগে সরবরাহ করা হবে। শ্রিংগলা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্পষ্ট বার্তা ভারতের ভ্যাকসিন কার্যকরী ও দামে কম হবে।

যা সাধারণ মানুষের উপযুক্ত হবে। আর সেই ভ্যাকসিন নেপালের মতো বন্ধু রাষ্ট্র আগে পাবে। এই বিষয়ে নেপালের বিদেশমন্ত্রী ও বিদেশ সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশ সচিব।

নভেম্বরের শুরুতেই নেপাল সফরে যান ভারতের সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী ওলি নিজে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলান। মূলত প্রধানমন্ত্রী ওলির মদতেই ভারতের কালাপানি, লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরাকে নিজেদের মানচিত্রে এনে ওই এলাকা তাঁদের বলে দাবি করতে শুরু করে নেপাল।

যদিও নেপালের সেই দাবিতে আল দেয়নি ভারত। বরং আলোচনা করেই বিতর্ক মেটাতে তৎপরতা নিয়েছে মোদী সরকার। করোনাকালেই লাদাখের সীমান্ত এলাকা নিয়ে ভারত-চিন বিবাদ তুঙ্গে পৌঁছায়।

তারই মধ্যে ভারতের অস্বস্তি বহু গুণে বাড়িয়ে দেয় নেপালের কেপি শর্মা ওলির সরকার। এর আগে কূটনৈতিকস্তরে একাধিক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। চিন-ভারত সম্পর্ক এখনও তলানিতে। ভারতের বিরুদ্ধাচারণ করতে অনেক ক্ষেত্রেই নেপালকে ব্যবহার করছে চিন।

গত কয়েকমাসে এমন বহু প্রমাণ পেয়েছে ভারত। দীর্ঘদিনের বন্ধু দেশ নেপালের সঙ্গে গত কয়েকমাসে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে ভারতের।

যদিও ভারতের তরফে এখনই নেপাল নিয়ে নেতিবাচক কোনও পদক্ষেপের সম্ভাবনা নেই। বরং কাঠমান্ডুর জন্য আবারও বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে তৈরি দিল্লি। এই আবহেই সেনাপ্রধান নারাভানের নেপাল সফর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেন কূটনীতিকরা।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।’প্রশ্ন অনেকে’-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I

Back to top button