International

ক্যাপিটল হিলে হামলা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব ডেমোক্র্যাটদের

ওয়াশিংটন: আগামী বুধবার বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে ইমপিচমেন্ট আনার প্রস্তাব পেশ করল ডেমোক্র্যাটরা৷ গত সপ্তাহে ক্যাপিটল হিলে হামলার পিছনে তাঁর উস্কানি ছিল বলেই অভিযোগ৷

আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মার্কিন কংগ্রেসে তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে৷ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের দুটি প্রস্তাব জমা পড়েছে৷ আগামী ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন রাজ্যপাটে অভিষেক হবে জো বাইডেনের৷

তার আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের অপসারণ নিশ্চিত করেত চাইছেন ডেমোক্র্যাটরা৷ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর আওতায় ক্যাবিনেটের কাছে যাতে এই প্রস্তাব তুলে ভোটাভুটির মাধ্যমে ট্রাম্পের অপসারণে উদ্যোগী হন, সেই চেষ্টাই শুরু হয়েছে।

তবে তিনি সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ট্রাম্পকে অফিস থেকে সরানোর উদ্যোগ না নেন, তাহলে বুধবার ইমপিচমেন্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন হাউজ মেজরিটি লিডার স্টেনি হোয়ার৷ যদিও ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করবেন না মাইক পেন্স৷

এক্ষেত্রে মঙ্গলবার ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব নিয়ে হতে পারে ভোটাভুটি৷ পেন্স এই বিষয়ে সক্রিয় ভূমিতা পালন না করলে বুধবার হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে ইমপিচমেন্ট নিয়ে আলোচনা শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে৷ ইমপিচমেন্টের মাধ্যমে ট্রাম্পকে সরানোর ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেনেটরের সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি ডেমোক্র্যাটদের৷

সাধারণত প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যদি কোনও বেআইনি কাজ, গুরুতর অপরাধ বা রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ওঠে তাহলে মার্কিন কংগ্রেস ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব আনতে পারে৷ দুটি ধাপে এই ইমপিচমেন্ট করা হয়৷ প্রথমত, বিধিবদ্ধ ভাবে জুডিশিয়াল কমিটিতে অভিযোগ দায়ের করতে হয়৷

এর পর ভোটাভুটি হয়৷ এই প্রস্তাবে সংখ্যাগরিষ্ঠের সম্মতি পেলে তা পাঠানো হবে সেনেটে৷ দ্বিতীয় ধাপে গোটা প্রক্রিয়া চলবে সেনেটে৷ ইমপিচমেন্ট ম্যানেজার নিয়োগ করতে হবে৷ প্রেসিডেন্ট আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্য পেশ করবেন৷ গোটা বিচার প্রক্রিয়া দেখবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি৷

এর আগে ট্রাম্প নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করার অভিযোগে ইমপিচমেন্ট এনেছিলন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ৷

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I

Back to top button