Recipe

গরমের দুপুরে মন ভরাতে ৩ উপাদানের ‘অরেঞ্জ আইসক্রিম’

কলকাতা: গরম পড়তেই আমরা শুধুই ঠান্ডার দিকে ঝুকছি। ঠান্ডা আবহাওয়ায় থাকা বা বিকেল হলেই একটু ঠান্ডা খাওয়া এসব তো গরমকালের আসল মজা বা রোমাঞ্চ। ছোটবেলা থেকেই গরমকাল মানেই রোদে দেওয়া ঠাকুমার বানানো আচার চুরি করে খাওয়া বা আইসক্রিমওয়ালার খোঁজ করা। আস্তে আস্তে বড়ো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেইসব আনন্দ কমতে শুরু করেছে। কিন্তু সেই স্বাদ আপনি নিজেই ফেরাতে পারেন। বাড়িতেই বানান স্বাস্থ্যকর আইসক্রিম। আমরা জানি দাঁত বা শরীরের ফ্যাটের জন্যে এটি ভালো খাদ্য নয়।

তবে বাড়ির বানানো আর দোকানের বানানো আইসক্রিমের বিস্তর ফারাক। আপনি চাইলে নিজের প্রয়োজনমতো উপাদান দিতে পারেন আবার অপছন্দের উপাদানটি বাদ দিতেও পারেন। গরমের প্রিয় ম্যাংগো আইসক্রিমের সাথে সাথে অরেঞ্জ ফ্লেভারটিরও কম চাহিদা নেই। বানাতে যেমন বেশি সময় লাগবে না তেমন লাগবে না বেশি সরঞ্জাম। মাত্র ৩ টি উপাদান দিয়েই বানান আপনার হাতের অরেঞ্জ আইসক্রিম।

উপকরণ: ১. ১ টি গোটা কমলালেবু
২. কনডেন্সড মিল্ক আধ কাপ
৩. হুইপিং ক্রিম ১ কাপ
৪. একটু অরেঞ্জ ফুড কালার

আরো পোস্ট- সোশ্যাল মিডিয়ায় আকৃষ্ট মন! শরীরে হতে পারে বিশেষ সমস্যা

প্রণালী: কমলালেবুকে আগে ধুয়ে নিয়ে রস এবার করে রেখে দিন একটি পাত্রে। এবার অর্ধেক কাপ কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে নিন রর মধ্যেই। যতক্ষণ না দুটো ভালো করে মিশছে ততক্ষণ দুটোকে ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। কনডেন্সড মিল্ক যতক্ষণ না গলছে ততক্ষন নাড়তে থাকুন মিশ্রণটি। একটি হ্যান্ড বা ইলেট্রিক বিটার দিয়ে হুইপিং ক্রিমটিকে ভালো করে বিট করতে থাকুন। ৫-৭ মিনিট বিট করে যখন ফোমের মতো আকার নেবে তখন এর মধ্যে কমলার রস ও কনডেন্সড মিল্কের মিশ্রণটি ঢেলে দিন আস্তে আস্তে।

এবার আপনার ইচ্ছেমতো ফুড কালারটি মেশান। আবারো ভালো করে বিট করে নিন ২-৩ মিনিট। এবার আইসক্রিমের ছাঁচে বা একটি বক্সে আইসক্রিমের এই মিশ্রণটি ঢেলে মুখ লাগিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে প্রায় ৮ ঘণ্টা। নির্দিষ্ট সময় পর একবার চেক করে নেবেন।এ আইসক্রিম জলমে গেলে পাত্রে সাজিয়ে উপরে আর একটু কমলালেবুর রস ঢেলে পরিবেশন করে ফেলুন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button