Technology

গ্রাহক সংখ্যা বাড়াতে তিনটি অফার নিয়ে এল জিও ফোন

জেএম ফিনান্স একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, জিওফোন অফার এবং বহুল প্রতীক্ষিত স্বল্প দামের স্মার্টফোনগুলির জন্য আরও বেশি গ্রাহক এবং মার্কেট শেয়ার অর্জন করবে এই রিলাইন্স জিও। এর পাশাপাশি দাম বৃদ্ধির ফলে এই সংস্থার আর্থিক কোনও ক্ষতি হবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। আবার ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস গ্রুপ জানিয়েছেন যে বর্ণালী ইস্যু এবং ডেটা চাহিদা বাড়ার কারণে রিলায়েন্স জিওর গ্রাহক সংযোজন ২০২১ সালের হিসাবে ভালো নয়।

ভালো এক্সিকিউশন এবং পজিশনিং এর প্রোতিযোগিতায় জিও মোবাইল ব্রডব্যান্ড সাবস্ক্রিপশনের দিকে অনেক বেশি অংশ গ্রাহক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এর পাশাপাশি গ্রাহকের ইন্টারনেট গতিবেগটি লক্ষণীয় পরিমাণে বর্ণালী অর্জনের জন্য জিওর আগ্রাসী কৌশলটি প্রদত্ত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

গ্রাহকদের জিও ফোনের জন্য ২০২১ এ বেশ কিছু অফার চালু করছে রিলাইন্স জিও। ২০২১ এ চালু হওয়া এই অফার দু বছরের জন্য রাখতে চলেছে তারা। গ্রাহকদের আকর্ষণের জন্য নতুন তিনটি পরিকল্পনা ৯৯৯ টাকা, ১,৪৯৯ টাকা এবং ৭৪৯ টাকা যা ২৪ মাস এবং ১২ মাসের জন্য চালু করা হয়েছে। জিও জানিয়েছে ইতিমধ্যে এই তিন অফারের জন্য প্রায় ১০০ মিলিয়ন মানুষ তাদের পরিকল্পনাটি আপগ্রেড করেছে এবং প্রায় ৩০০ মিলিয়ন জিওফোন ব্যবহারকারী মানুকে এই পরিকল্পনা আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।

২০২০ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ৪.৭ মিলিয়ন মানুষ জিও পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হলেও ২০২১ সালে তা দাঁড়ায় মাত্র ২.৩ মিলিয়নে। তবে নতুন এই জিও স্মার্টফোনের জন্য আরও বেশি সংখ্যক মানুষ আগামী মাসগুলিতে তাদের পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হবে বলে জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে। আরেকটি পরিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে, জিওফোনের জন্য দেওয়া অফার এবং জিওস্মার্ট ফোনের প্রকাশ অনেক বেশি গ্রাহককে যুক্ত করবে এই সংস্থার সঙ্গে।

রিলাইন্স কোম্পানির টেলিকম সংস্থা জিও গ্রাহক সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সম্প্রতি নানা ভিন্ন সামগ্রীর দিকে নজর দিচ্ছে। এই কোম্পানি ৫ জি সংযোগের স্মার্ট ফোনের পাশাপাশি একটি জিও বুক ল্যাপটপ বাজারে আনতে চলেছে। আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বরের দিকে তাদের ল্যাপটপটি বাজারে আনতে পারে জিও। এর পাশাপাশি ১৫,০০০ টাকার নিচে হওয়ায় ছাত্রদের জন্য খুব উপকারী এবং সকল গ্রাহক এটি কিনতে পারবে দাম কমের জন্য। এছাড়াও রিলায়েন্স জিও তার বোর্ডে নতুন গ্রাহক যুক্ত করতে অনলাইন গেমিং ই-স্পোর্টস ইভেন্টগুলি হোস্ট করছে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button