International

ঘুমিয়ে আছে হাতির দল, চমকে যাচ্ছে দুনিয়া

বেজিং: আকাশে মেঘের ডাক। জঙ্গলে বৃষ্টির ঝাপটা। এসব গা সওয়া অরণ্য সন্তানদের কাছে। আর যখন ক্লান্তি আসে তখন দু চোখ জুড়ে নেমে আসে ঘুম। মা বাবা ছানা পোনা সব লেপ্টে থাকে ঘুমে। এমনই বিরলতম ঘুম ছবি দেখে চমকে যাচ্ছে দুনিয়া।

জিনহুয়া সহ চিনের (China) সব সংবাদ সংস্থার খবর, ইউনান প্রদেশে (Yunnan) তোলা হয়েছে হাতির (Elephant) পালের ঘুমের ছবি। এই প্রদেশের সংলগ্ন মায়ানমারের (Myanmar) কাচিন ও সান প্রদেশ। দুই দেশের সীমান্ত এলাকার জঙ্গলে ১৫টি এশিয়ান হাতি (Asian elephant) দিনের পর দিন পাড়ি দিচ্ছে নিজের খেয়াল মতো। নির্দিষ্ট কোনও গন্তব্য নেই। এই হাতিদের উপর নজর রাখছেন চিনা বিশেষজ্ঞরা।

আনুমানিক গত পনেরো মাস ধরে হেঁটে চলেছে হাতির এই পালটি। নিজেদের আস্তানা থেকে এভাবে এরা চলে এসেছে ৫০০ কিলোমিটার দূরে। হাতির পালের এই যাত্রা চোখে চোখে রেখেছে চিন সরকার। ১৪ টি ড্রোন (drone) এবং ৫০০ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে হাতিগুলোকে নিরাপদ রাখতে। এরাই প্রতিদিন জানাচ্ছে হাতির গতিবিধি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার খবর, ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের জিননিং (kunming jinning) জেলার কাছে ক্যামেরাবন্দি হয় হাতির পালের ঘুমের ছবি। সেই ছবি এখন বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলেছে।

পনেরোটি হাতির মধ্যে বাচ্চা তিনটি। এদের দুজন আবার দলছুট হয়েছে। সংবাদ সংস্থাগুলির খবর, হাতির পালের হামলায় কয়েকটি গ্রামের ফসল নষ্ট হয়েছে। কুনমিং শহরের উপরেও এরা হেঁটে তাক লাগিয়েছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা নিজেদের আস্তানা থেকে কোন়ো হাতির পালের এমন দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া খুবই বিরল ঘটনা। তাদের প্রতি মুহূর্তের গতিবিধি এখন গবেষণার বিষয়।

সরকারের তরফে হাতিগুলোকে তাদের। প্রাকৃতিক আস্তানা ইউনান প্রদেশের ম্যানগিয়াংজি ন্যাচারাল রিজার্ভে (Xishuangbanna National Nature Reserve) ফেরানোর চেষ্টা চলছে। তবে এরা চলেছে খেয়াল খুশিতে। বিরল থেকে বিরলতর বিভিন্ন ছবির মুহূর্ত তৈরি হচ্ছে। তারই একটি এই ঘুম ছবি।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button