International

ঘূর্ণিঝড় ‘দুজুয়ান’ এর চোখরাঙানি, ৫০ হাজার মানুষকে সরানো হচ্ছে অন্যত্র

ম্যানিলা : একে রামে রক্ষা নেই দোসর লক্ষন। এখনও বিশ্বজুড়ে পুরোপুরি ভাবে বিদায় নেয়নি করোনা মহামারি। সংক্রমণের দাপটে বিপর্যস্ত গোটা দুনিয়া। আর এরই মাঝে নতুন করে অশনিসংকেত দেখছেন ফিলিপাইন্সের বাসিন্দারা।

‘দুজুয়ান’ ঝড়ের প্রভাবে বিধ্বস্ত অবস্থা সেখানকার নাগরিকদের। শুরু হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। আর এই অবস্থায় এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ ফিলিপাইন্স থেকে প্রায় ৫০ হাজার নাগরিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারণ, ফিলিপাইন্সের দক্ষিণ এবং মধ্য অংশে শুরু হয়েছে ‘দুজুয়ান’ ঝড়। যারফলে প্লাবিত হয়েছে ফিলিপাইন্সের বেশকিছু অংশ। ফলে এই অবস্থায় বড় ধরনের কোনও বিপর্যয় এড়াতো স্থানীয় প্রশাসনের তরফে দ্রুত নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫১ হাজার লোককে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করেছে ফিলিপাইন্স সরকার।

এই বিষয়ে রবিবার ফিলিপাইন্সের সিভিল ডিফেন্স দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত ফিলিপাইন্সের সুরিগাও ডেল সুর, সুরিগাও ডেল নরতে, আগুসান ডেল নরতে এবং দিনগাটা দ্বীপপুঞ্জের ৫১ হাজার মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া সংক্রান্ত বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে যে, সোমবার সকালেই ঘূর্ণিঝড় ‘দুজুয়ান’ স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে। ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি এড়াতে আগাম সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিপদ সংকূল প্রবন অঞ্চল থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দূরে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭:০০ টায় আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, দুজুয়ান এখন সুরিগাও ডেল নরতে প্রদেশের সুরিগাও শহর থেকে ২৫৫ কিমি পূর্বে রয়েছে। এটি ফিলিপাইন্সের উত্তর-পূর্বে ঘন্টায় ২৫ কিমি বেগে বইতে পারে। তবে দক্ষিণ-পূর্বে এর বাতাসের গতিবেগ থাকবে সর্বোচ্চ। ঘন্টায় ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার। শুধু তাই নয়, আগামী ১২ ঘন্টাও দুজুয়ান তার শক্তি ধরে রাখতে পারে। যারফলে গ্রীষ্মমন্ডলীয় নিম্মচাপ এখনই দুর্বল হওয়ায় সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না হাওয়া অফিস। এছাড়াও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে।

দুজুয়ানের প্রভাবে ফিলিপাইন্সের লুজন দ্বীপ, মধ্য ফিলিপাইন্স এবং দক্ষিণের মিন্দানা অঞ্চলে এর প্রভাব সবথেকে বেশি পড়বে। যারফলে ভূমিধস, বন্যা ও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে, আগাম সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সব প্রদেশের মানুষদের ঝড়ের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অ্যালার্ট করে দিয়েছে সরকার।

শুধু তাই নয়, প্রতি বছর জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ফিলিপাইন্সে ঘূর্ণিঝড় টাইফুন এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় এই অঞ্চলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে দেয়৷ অসংখ্য প্রাণহানি যেমন ঘটে তেমনই ঝড়ের প্রভাবে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয়।

উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ারের’ মধ্য অবস্থিত দুর্যোগপ্রবণ দেশ গুলির মধ্যে ফিলিপাইন্স অন্যতম। এখানকার সক্রিয় আগ্নেয়গিরির কারনে সারা বছরই এই দেশে ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প এবং ভূমিধসের মতো ঘটনা ঘটতেই থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button