বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে মেঘনায় অস্বাভাবিক ঢেউ, হাতিয়ার সঙ্গে নোয়াখালীর নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে নোয়াখালীতে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর ১২ থেকে বৃষ্টির মাত্রা বেড়েই চলছে। এছাড়া মেঘনা নদীতে অস্বাভিক ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নোয়াখালীর মূল ভূখন্ডের সঙ্গে হাতিয়ার নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলীয় উপজেলা হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে সকালে জরুরি দূর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রত্যেক উপজেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জানান, উপকূলীয় ৩ উপজেলায় শুক্রবার সকালে জরুরি সভা শেষে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বুঝে, বিকাল নাগাদ উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা আহবান করা হয়। এদিকে, জেলার সিভিল সার্জন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত ঔষধ মজুদ রয়েছে।

সুবর্ণচর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এ এস এম ইবনুল হাসান ইভেন জানান, পরবর্তি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নদীতে থাকা নৌ-যানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা ও উপকূলের কাছাকাছি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরে আলম জানান, ‌‘বুলবুল’ এর প্রভাবে মেঘনা নদীতে অস্বাভাবিক ঢেউ এর সৃষ্টি হয়েছে। যার কারনে সকল প্রকার নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল থাকায় উপজেলার ২১০টি সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবেলা প্রস্তুত কমিটির ১৮৮টি ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিঝুমদ্বীপের এলাকাবাসীকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। এ ইউনিয়নে ৭টি সাইক্লোন সেন্টারে লোকজনদেরকে আশ্রয় নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।-সমকাল।

Leave a Reply

Back to top button
Close