Recipe

চটজলদি বানান লাঞ্চ-ডিনার, আজই ঘরে আনুন রুটি মেকার

করোনাকালে অনেকেই এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোমে অভ্যস্ত হেয়ে পড়েছেন। বাড়িতে থাকা সেই সব কর্মীদের ব্যস্ততার শেষ নেই। দিনভর কম্পিউটার-ল্যাপটপে চোখ রেখেই চলছে কাজ। এরই ফাঁকে খাবার তৈরিতেও বেশ খানিকটা সময় যাচ্ছে। দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই রুটি খান। কিন্তু রুটি তৈরির ক্ষেত্রেও অনেকটা সময় যায়। তাই আজই কিনে ফেলুন একটি রুটি মেকার মেশিন।

কাউন্টারটপ মেশিনগুলি আপনার ওভেনের মতো গরম হবে না, তাই বেশিরভাগ ব্রেড মেশিনগুলি আপনার স্ট্যান্ডার্ড স্যান্ডউইচ রুটির কাছাকাছি কিছু তৈরি করতে পারে। ইন্টারনেটের দৌলতে আজ দেশ-বিদেশের হরেক খাবারের রেসিপি এখন হাতের মুঠোয়। ঘরে-ঘরে নিত্যনতুন খাবারের বানানোর হিড়িক। চটজলদি পেট ভরাতে রুটির জুড়ি নেই। কিন্তু রুটি তৈরিতে বেশ খানিকটা সময় ব্যয় হয়। সময়ই এখন সবচেয়ে মূল্যবান একি জিনিস। তাই সময় বাঁচিয়ে সব কাজ করতে হবে। একাধিক সংস্থা অনলাইনে এখন ব্রেড মেশিন বিক্রি করছে। তেমনই কোনও একটি মেশিন কিনে ফেলুন আপনার বাড়ির জন্য। আপনার বাজেট অনুযায়ী কোনও একটি ব্রেড মেশিন আজই ঘরে আনুন।

আপনার পরিবারে প্রতিদিন ক’টি রুটি সবাই খায়, সেদিকে খেয়াল রেখে প্রথমে আটা মেখে ফেলুন। আপনার মেশিনটি ওভারফিল করা উচিত নয়। রুটি প্রস্তুতকারকরা বিভিন্ন আকারে রুটি তৈরি করেন। কিন্তু আপনার পক্ষে সব সময় তা সম্ভব নাও হতে পারে। আপনার মেশিনের নির্দেশ অনুযায়ী একটি বেসিক রুটির অনুপাত পাবেন। নিত্যদিনের খাবার তৈরির ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে চাহিদা বহুল হোম অ্যাপ্লায়েন্স রুটি মেকার।

ঝামেলামুক্ত উপায়ে কম সময়ে বেশি রুটি বানাতে তুলনাহীন এই রুটি মেকার। এখন অনলাইনে ক্রেতাদের ব্যাপক উৎসাহের কেন্দ্রে থাকে ব্রেড মেকার বা রুটি মেকার। নাগালের মধ্যে দামেই পাবেন এই মেসিন। এখন বিভিন্ন ম্যানুয়াল রুটি মেকার বিশেষ করে কাঠের রুটি মেকার ছাড়াও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন মডেলের ইলেকট্রিক রুটি মেকার। তাই অনলাইনে রুটি মেকারের ব্যবহার প্রণালী ভালোভাবে জেনে পছন্দ মতো সেরা ব্র্যান্ডের ম্যানুয়াল ও ইলেকট্রিক রুটি মেকার এখন অর্ডার করে দিন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button