International

চিনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনার পাশে অধিকৃত কাশ্মীর: আওয়াজ তুললেন এক পাকিস্তানি

গ্লাসগো : পূর্ব লাদাখে চিনা সেনা ভারতীয় জওয়ানদের বিরুদ্ধে যে আগ্রাসন দেখিয়েছে, তাতে উস্কানি ছিল বেজিংয়েরই। এমনই মত পাকিস্তানি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ডঃ আমজাদ আয়ুব মির্জার। রবিবার তিনি বলেন, ১৫ই জুন লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে ভারতীয় সেনার ওপর হামলা চালায় চিনা সেনা। এতেই ২০ জন ভারতীয় জওয়ান মারা যান।
মির্জার আরও দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে লড়তে চাইছে চিন। কিন্তু পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতীয় জওয়ানদেরই সমর্থন করেন। রাজনৈতিক দিক থেকে দুর্বল পাকিস্তানের সুযোগ নিয়ে চিন ভারতের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই দ্বিচারিতা মেনে নেবে না পাক অধিকৃত কাশ্মীর। পিওকের বাসিন্দারা ভারতের সঙ্গেই রয়েছে বলে মত এই রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের।
উল্লেখ্য স্বাধীন রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের জন্য তাঁকে দেশ ছাড়া করা হয়েছে। ডঃ মির্জা বর্তমানে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোর বাসিন্দা। এদিন চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই সমাজকর্মী ও বিশেষজ্ঞ। চিনের বিরুদ্ধে ভারতের পদক্ষেপ একদম সঠিক বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও নিজের রেডিও অনুষ্ঠান মন কি বাতে বলেন, যারাই ভারতের এলাকা দখলের চেষ্টা করবে, তারা যেন কড়া প্রত্যাঘাতের অপেক্ষায় থাকে। কারণ ভারত এই চেষ্টার কঠিন জবাব দেবে। কোনওভাবেই সীমান্তে জওয়ানদের প্রাণের বলি ব্যর্থ হতে দেবে না ভারত।
এদিন মোদী বলেন লাদাখে আমাদের জওয়ানরা প্রাণ দিয়ে দেশকে রক্ষা করেছেন। সেই মূল্য চোকাতে হবে প্রতিবেশীদের। যারাই ভারতের দিকে হাত বাড়াবে, তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করার মত ক্ষমতা দেশের আছে। আমাদের বীর জওয়ানদের প্রাণের বলি ব্যথিত করেছে দেশবাসীকে। তাঁরা দেশের গর্ব। রবিবার মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রী বলেন দেশের বীর জওয়ানদের কখনও ভুলবে না ভারত।

১৫ই জুন গালওয়ান ভ্যালিতে চিনা সৈন্যদের ঠেকিয়ে দিয়ে যে অমর সাহসিকতা দেখিয়েছেন ভারতীয় জওয়ানরা, তার কোনও তুলনা হয় না। তাঁরা নিজের দেশকে সুরক্ষিত রাখতে সবরকম বলিদান দিতে প্রস্তুত। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে গোটা দেশ। এরই পাশাপাশি, চিনের নাম না করেই কড়া হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী।


তিনি বলেন ভারত ভাল বন্ধু হতে জানে। কিন্তু সীমান্তের আঘাতের কড়া জবাব দিতে পিছপা হয় না নয়াদিল্লি। দেশের সার্বভৌমিকত্ব বজায় রাখার জন্য সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই চালায় ভারত। সেখানে কোনও আপোষ করা হয় না।

পরিবেশের বন্ধুরা, স্কুলেই চলছে সবুজ বাঁচানোর লড়াই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close