International

চিরনিদ্রার দেশে ‘ওহ হামসফর থা’ খ্যাত পাক কবি ও গীতিকার নাসির তুরাবি

করাচি: পাকিস্তানের জনপ্রিয় উর্দু কবি ও গীতিকার নাসির তুরাবির জীবনাবসান ঘটল৷ রাতে করাচিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷ বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর৷ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা যাঁদের হৃদয় বিদীর্ণ করেছিল, তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানি কবি নাসির তুরাবি অন্যতম।

যে অসীম বেদনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, তাঁর গজলের মধ্যে উঠে এসেছিল সেই শোকগাথা। কয়েক বছর আগে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কবি৷ গত বছর কোমাতেও আচ্ছন্ন হয়েছিলেন৷ বেশ কিছু দিন ধরেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করেছিল৷

অবশেষ রবিবার রাতে সকলকে কাঁদিয়ে বিদায় নেন তিনি৷ সোমবার আনচোলির ইমামবার্গা সুহদা-ই কারবালায় জোহরিনের পরে তাঁর শেষ কৃত্যের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে৷ তার পরে তাঁকে শায়িত করা হবে ওয়াদি-ই-হুসেন কবরস্থানে৷ ১৯৪৫ সালের ১৫ জুন অবিভক্ত ভারতের হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তুরাবি৷

তাঁর বাবা আল্লামা রাশেদ তুরাবি প্রখ্যাত ধর্মীয় পন্ডিত ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় তিনি ভারত ছেড়ে পাকিস্তান চলে যান৷ ১৯৬৮ সালে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস-কমিউনিকেশনে মাস্টার ডিগ্রি করেন৷ করাচিতেই ছিল তাঁর বাড়ি৷

পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তিনি লিখেছিলেন ‘ওহ হামসফর থা’৷ পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে বিচ্ছেদের ট্রাজেডি ঝরে পড়েছিল তাঁর কলমে৷ পরবর্তীকালে ‘হামসফার’ নাটকে তাঁর এই গান ‘থিম’ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছিল৷

এই গজলের বাংলা করলে হয় , ‘‘যেদিন আমাদের পথ ভিন্ন হল আমাদেরই সায়ে, সেদিন তুমিও কাঁদোনি, কাঁদিনি আমিও। তবু প্রিয়তম হে, আজ এ কী হল, বলো; পারো না ঘুমাতে শান্তিতে তুমি, পারি না আমিও!’’

এরপর মোল এবং জিন্দেগি গুলজার হ্যায় ধারাবাহিক নাটকের জন্যও থিম সং ‘জিন্দেগি কা জো মোল চুকাতে হোঙ্গে’ লিখেছিলেন৷ এছাড়াও তাঁর অমর সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে ‘খোয়ার সারায়া’ এবং ‘ইয়াকিন কা সাফর’ এর জন্য ‘দিল এয়েতবার’৷

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I

Back to top button