Islam

চীনা ভূখণ্ডে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রবেশ!

সম্প্রতি চীন ও ভা’রতের মধ্যে সীমান্তে উত্তে’জনা চলছে। দুই দেশে সে’না সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে। আ’হত হয়েছিল উভ’য় দেশের সে’নাসদস্যরা। এমন যু’দ্ধভাপন্ন উত্তে’জনার মধ্যেই সীমান্ত অ’তিক্রম করে চীনা ভূখণ্ডে ভা’রতীয় সে’নাবাহিনী ঢোকার অ’ভিযোগ করেছে বেইজিং। তবে বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভা’রতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন দাবি নাকচ করে বলা হয়, ভা’রতীয় সে’নারা লাদাখ ও সিকিম সীমান্তের পাশ দিয়ে গেছে। ভা’রতের কার্যকলাপ নিজেদের অংশে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে (এলএসি) করা হয়েছিল। বেইজিংয়ের অ’ভিযোগ, ভা’রতীয় সে’নাবাহিনী চীন-ভা’রত সীমান্তের বাইজিং ও লুজিন ডুয়ান অংশে চীনা ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, চীনা সীমান্ত সে’নার সাধারণ টহল বাধাগ্রস্ত করে এবং একতরফাভাবে সীমান্তের স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল। চীনের এমন অ’ভিযোগের জবাবে ভা’রতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ বিবৃতি দেয়া হয়।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভা’রতীয় ভূখণ্ডের মধ্যেই গালওয়ান নদী এলাকায় সড়ক নির্মাণের বিষয়ে চীনের অব্যাহত আ’পত্তির কারণে পূর্ব লাদাখে সে’নাবাহিনী টহল দিয়েছে। নতুন সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে শওক ও গালওয়ান নদীর সংযোগস্থলে। যা পানগং তসো হৃদের ২০০ কিলোমিটার উত্তরে। দুই সপ্তাহ আগে পানগং তসোতে দুই দেশের সে’নাদের মধ্যে উত্তে’জনার পর ভা’রত-চীন সীমান্তের উত্তে’জনা নতুন করে আলোচানায় আসে। এই ঘটনাটি ঘটেছিল ৯ মে সিকিমের ৫ হাজার মিটার উচ্চতায় নাকুলা সেক্টরে।

এ ঘটনায় ভা’রত ও চীনের মধ্যে স্থানীয় কমান্ডার পর্যায়ে পানগং তসোতে দুই দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কোনো রকম ফলাফল ছাড়া বৈঠকের সমাপ্তি ঘটে। পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে দুই দেশের সে’নারা। সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, চীন যে নতুন সড়কের নির্মাণের বিষয়ে আ’পত্তি তুলেছিল, সেটি নদীর দুই পাড়ের দরবুক-শওক-দৌলত বেগ ওল্ডি (ডিএসডিবিও) সড়ক।

খবরে বলা হয়েছে, চীনা সে’নাবাহিনী ভা’রতের কাছাকাছি এই অঞ্চলে অ’তিরিক্ত সে’না মোতায়েন করেছে। ৭০-৮০টি তাবু টাঙ্গিয়েছে। পর্যবেক্ষণের জন্য ভা’রী সরঞ্জামাদি ও যান মোতায়েন করেছে। তবে সম্প্রতি ভা’রতের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বিরোধপূর্ণ অঞ্চলে অ’তিরিক্ত সে’না মোতায়েন করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। ভা’রতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পানগং তসো এবং গালওয়ান বিরোধপূর্ণ এলাকা নয়। গত দুই বছরেও চীন সেখানে টহল দেয়নি। সড়ক নির্মাণ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সড়কটি আমাদের ভূখন্ডে নির্মাণ করা হচ্ছে। তারপরেও তারা আ’পত্তি করছে। এটি বোঝা কঠিন।

কেএ/ডিএ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close