offbeat news

জুতো পরেন না গ্রামবাসীরা! এই টানেই ছুটে যাবেন আপনি

কথায় বলে “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর”। পাহাড়ের কোলে এক গ্রাম।

সেখানে নাকি কেউ পরেন না জুতো (no footwear policy)। অবাক হলেন তো?

আসলে আপনি অবাক হলেও বা না মানলেও এটাই এই গ্রামের বিশেষত্ব।

গ্রামটি দক্ষিণ ভারতের প্রসিদ্ধ তামিলনাড়ুর (tamilnadu) কোদাইকানালের কাছাকাছি অবস্থিত। নাম তার “ভেল্লাগাভি” (vellagavi)।

গ্রামটি ৩০০ বছরের পুরোনো। যদি আপনাকে এই গ্রামের মধ্যে দিয়েই ঘন জঙ্গলে সফর করতে বা ট্রেকিংয়ে যেতে হয় তাহলে আপনাকেও এই রীতি মানতেই হবে।

তাদের কাছে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস বিশাল জায়গা দখল করে রয়েছে। আমরা মূলত দুটো উদ্দেশ্যে জুতো পরি।

১. ময়লা থেকে আমাদের দুইটি পা রক্ষা করতে। ২. এটি আমাদের কাছে এখন ফ্যাশনের অন্যতম অঙ্গ হয়ে উঠেছে।

তবে অবিশ্বাস্য হলেও আপনাকে মানতেই হবে যে এই গ্রামে কেউই জুতো কিংবা স্যান্ডেল আজ অবধি পরেননি। গ্রামটিতে পৌঁছানোর পথটি কিন্তু বেশ দুর্গম।

প্রায় ১০০টি পরিবার মিলেমিশে এখানে বাস করে। আপনার পড়ে অদ্ভুত লাগলেও আসলে গ্রামবাসীদের কাছে এই গোটা গ্রামটিই ভগবানের বাসস্থান।

এমনটাই তারা মনে করেন। গ্রামের বাড়িগুলি সারিবদ্ধভাবে পরপর বানানো হয়েছে (vellagavi)।

গ্রামে ঢোকার মূলেই একটি মন্দির দেখতে পাবেন পর্যটকরা। সেই মন্দির পেরোনোর পর থেকেই আর কেউ গ্রামে জুতো পরেন না।

তাই আপনিও পরতে পারবেন না জুতো (no footwear policy)। এই ছোট্ট গ্রামে ২৫টি মন্দির রয়েছে যেখানে ১৫০ জন মতো বাস করেন।

বাড়িরগুলির মাঝে মাঝেই একটি করে মন্দির পাবেন। প্রতিটি মন্দিরের সামনে অন্তত একজন করে ব্যক্তিকে দেখবেন নতজানু হয়ে প্রার্থনা করছেন।

গ্রামটিতে মন্দিরের সংখ্যা সেখানকার বাড়ির সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

এমনকি গ্রামটিতে প্রবেশ করার মুখেই জুতোর বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে একটি বোর্ডে লেখা রয়েছে যে গ্রামে প্রবেশের আগে দয়া করে জুতো খুলে দেবেন (no footwear policy)।

যদিও বেশ কিছুটা সময় পর্যন্ত এই রীতি কঠোরভাবে তারা মানত। কিন্তু এখন তারা পর্যটকদের একটি নির্দিষ্টি জায়গা পর্যন্ত জুতো পরে আসার অনুমতি দেয়।

এছাড়াও ওই গ্রামের বার্ষিক মন্দির উৎসবটিও যথেষ্ট জনপ্রিয় সেখানে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button