International

জেল হওয়ার পরও SUV গাড়িতে ভিআইপি মেজাজে ঘুরছে হাফিজ সইদ

ইসলামাবাদ: জেলের শাস্তি দেওয়া হয়েছে হাফিজ সইদকে। কিন্তু তা সত্বেও এখনও পাকিস্তানে ভিআইপি হিসেবেই পরিষেবা পাচ্ছে এই জঙ্গি নেতা।

মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড তথা জামাত উদ দাওয়া প্রধানকে দুটি মামলায় জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানে।

জানা যাচ্ছে, শাস্তি ঘোষণা হওয়ার পরও কাউন্টার-টেররিজম বিভাগের অফিসাররা হাফিজ সইদের সঙ্গে ভিআইপি-র মত ব্যবহার করছে। এসইউভি গাড়িতে ঘুরছেন হাফিজ সইদ ও তার সঙ্গী-সাথিরা।

হাফিজ সইদকে সাড়ে ৫ বছরের জেলের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। দুটি মামলায় ১৫০০০ টাকা করে জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। একইসঙ্গে দুই মামলার বিচার চলবে। সন্ত্রাসে আর্থিক যোগের মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অ্যান্টি টেররিজম অ্যাক্টে মামলা হয়েছে হাফিজ সইদ ও আল-আনফাল ট্রাস্টের সেক্রেটারি মালিক জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে। এরপরই গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে ২০১৯-এর জুলাইতে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওই জঙ্গিনেতাকে। হাফিজ সইদের মাথার দাম রাষ্ট্রসংঘে ১০ মিলিয়ন ডলার। তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে আর্থিক সাহায্য করার জন্য ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদকে দু’টি সন্ত্রাসের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তানের আদালত। চলতি বছর এই নিয়ে চতুর্থবার দোষী সাব্যস্ত হল হাফিজ। আদালতের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে পিটিআই জানিয়েছে, লাহোরের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত বৃহস্পতিবার জামাত-উদ-দাওয়ার প্রধান-সহ ৪ জনকে আরও দু’টি মামলায় সাজা দিয়েছে। হাফিজ সইদ ও তার দুই সহযোগী জাফর ইকবাল, ইয়াহা মুজাহিদকে সাড়ে ১০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হাফিজের শ্যালক আবদুল রেহমান মাক্কিকে দেওয়া হয়েছে ৬ মাসের কারাবাস।

এটাই প্রথম নয়, ইতিমধ্যেই সন্ত্রাসে অর্থ জোগানের মামলায় জামাত-উদ-দাওয়ার প্রধান ও তার সহযোগীদের ১১ বছরের কারাবাস দিয়েছে পাক আদালত। ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল কাণ্ডারী হাফিজ সইদ। ওই ঘটনায় মারা যান ১৬৬ জন। আহত হন শতাধিক। তাকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী’র তকমা দিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার মাথার দাম ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গতবছর জুলাইয়ে সন্ত্রাসে অর্থ জোগানের মামলায় গ্রেফতার করা হয় হাফিজকে। লাহোরের কোট লাখপত জেলে উচ্চ-নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে সন্ত্রাসবাদী তাকে।

তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশের তাঁতবস্ত্র ও গামছা পৌঁছে গিয়েছে বিশ্বের দরবারে। মুখোমুখি বিবি রাসেল ।

Back to top button