Recipe

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে মোচা! বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু বিশেষ পদটি

কলকাতা: কলা আমাদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কতটা জরুরি তা সবাই জানি। তবে কলার ফুলও যে শুধুই সুস্বাদু তা নয়, এতেও রয়েছে হাজার পুষ্টিগুণ। তাই মোচাকেও এবার থেকে আর অবহেলা নয়।

মা-দিদিমাদের রান্নার ডায়েরির পাতা উল্টালেই মোচা রান্নার হাজার খুঁটিনাটি বা পদ পেয়ে যাই আমরা। কিন্তু আগেকার দিনের মতো এর আর তেমন দাম নেই খুব একটা। কারণ মোচা রান্না করা বড়ই ঝক্কির ব্যাপার। তাই এখনকার আধুনিক নারীরা অফিস বাড়ি সামলে আর সেই সময় পান না আলাদা করে মোচা ছাড়িয়ে রান্না করে পরিবারকে তৃপ্ত করার। কিন্তু সপ্তাহের একটা ছুটির দিনে এমন খাবার খাওয়ার মজাই আলাদা।

আজ জেনে নিন মোচার এমন এক রেসিপি যা সচরাচর শোনা যায় না। ইলিশ, ভেটকির পর এবার পাতে পড়ুক “মোচার পাতুরি”।

আরো পোস্ট- করোনায় “সেফ হোলি” নির্দেশাবলী: কী করবেন কী করবেন না

কী কী লাগবে:১০০ গ্রাম সেদ্ধ করে নেওয়া মোচা, ২ চামচ পোস্ট ও সর্ষে বাটা, ২ চামচ কোরানো নারকেল, নুন ও চিনি স্বাদ মতো, কলাপাতা, সর্ষের তেল, পরিমাণ মতো কাঁচা লঙ্কা বাটা।

প্রণালী: সেদ্ধ করে রাখা মোচা শিলনোড়া বা মিক্সিতে ভালো করে বেটে নিন যেন মিহি দানা হয়ে যায়। মোচা বাটার সঙ্গে নুন-চিনি, সর্ষে-পোস্ত বাটা ও নারকেল কোরা মিশিয়ে রেখে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। ম্যারিনেট হতে দিন।

মোচা বাটার মাখার সাথে পরিমাণ মতো লঙ্কা বাটা ও সর্ষের তেল মাখিয়ে নিন। কলাপাতার মধ্যে ২ চামচ মোচা বাটা নিয়ে পাতুরির মতো পাতাটিকে মুড়ে নিয়ে দুই প্রান্তে টুথপিক গেঁথে নিন প্রয়োজন মতো যাতে পাতাটি না খুলে আসে। কলাপাতাটি ৩০ সেকেন্ড গরম জলে ভিজিয়ে রাখতে পারলে এতে পুর ভরতে সুবিধে হবে। এবার প্যানের চারপাশে সর্ষের তেল মাখিয়ে নিয়ে প্যান গরম করে কলাপাতায় মোড়া ওই মোচা বাটা এপিঠ ওপিঠ করে সেঁকে নিতে হবে ভাল করে। ২০ মিনিট পর ঢাকনা খুলে দেখুন হয়েছে কিনা। শেষে হয়ে এলে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম মোচা পাতুরি। রান্নাটি নিরামিষ হওয়ায় যে কোনো দিন আর যে কেউ খেতে পারেন নির্দ্বিধায়।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button