International

তিনিই প্রথম! ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার শপথে আমেরিকার নয়া ইতিহাস

ওয়াশিংটন: প্রথম ভারতীয়, প্রথম এশিয়, প্রথম মহিলা, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গী! কমলা হ্যারিসের নামের সঙ্গে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে জুড়ে গেল এইসব তকমা। কার্যত বিশ্বের দরবারে নতুন ইতিহাস লিখলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা।

তবে এটাই শুধু নয়, আরও একগুচ্ছ রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এই পদে তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা। বাবা ছিলেন জামাইকান।

আমেরিকায় তিনি কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবেই চিহ্নিত। আর ছোটবেলা থেকেই মেনে নিয়েছিলেন সেটা। তাঁর মাও তাঁদের দুই বোনকে বড় করার সময় সচেতন ছিলেন। তিনি জানতেন দুই কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েকে বড় করছেন তিনি, আর তা করতে গিয়ে কী সমস্যা হতে পারে সেসব সম্পর্কেও অবগত ছিলেন। তা সত্বেও নিজের সংস্কৃতিতেও বড় করেছিলেন দুই বোন কমলা ও মায়াকে।

তবে প্রথম থেকেই ‘প্রথম’ হয়ে ওঠাটা কমলার অভ্যাস। শুধু প্রথম মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট নন, তিনি প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান, প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান ও প্রথম এশিয়ান-আমেরিকান হিসেবে এই পদে থাকবেন তিনি।

এর আগে প্রথম মহিলা, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা হিসেবে সান ফ্রান্সিসকোর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি হন। এরপর প্রথম মহিলা ও প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়ার সেনেটর হন।

এছাড়া ২০১০ সালে তিনি হন ক্যালিফোর্নিয়ার প্রথম মহিলা এবং প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ অ্যাটর্নি জেনারেল। আমেরিকার সবথেকে জনবসতিপূর্ণ স্টেটের শীর্ষ আইনজীবী।

একসময় ফিমেল-ওবামা বলেও পরিচিত ছিলেন তিনি। বারাক ওবামার খুব কাছের মানুষ ছিলেন। ওবামাই তাঁকে একের পর এক নির্বাচনে সুযোগ দিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।

Back to top button