offbeat news

দুই বাঙালির দারুন আবিষ্কার , ফেস শিল্ডেই দৃশ্যমান মহাজাগতিক গ্রহণ

সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : এক ঢিলে দুই পাখি। করোনা রোখা আর চোখের ক্ষতি না করে গ্রহণ দেখা। হতে হবে দুটোই। তাই অভিনব ডুয়াল ফেস শিল্ড বানালেন এক স্যানিটাইজার ও এক মাস্ক প্রস্তুতকারক। তাঁরা অমিত চক্রবর্তী ও সৌরজাত ব্যানার্জি । দুই বাঙালি স্বদেশী ভাবনা থেকে বানালেন স্যানিটাইজার মাস্ক এবং অভিনব ফেস শিল্ড।
সৌরজাত নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সৌর কথাটি। সৌরজাতর মাথাতেই প্রথম আসে সাধারণ ফেস শিল্ডেরস্বচ্ছ গার্ডের জায়গায় যদি এক্সরে প্লেট বসিয়ে দেওয়া যায় তাহলেই কেল্লা ফতে। ঠিক তেমন ভাবেই তাঁরা বানিয়ে ফেলেন ফেস শিল্ড। ফলে আলাদা করে আর সূর্যগ্রহণ দেখতে গিয়ে সস্তা বাদামি চশমার দরকার হয়নি। এক ঢাকনাতেই প্রতিরোধ করা গেল দুই বাধা। করোনা এবং আল্ট্রাভায়োলেট রে। সৌরজাত জানালেন , ‘মেঘলা আকাশ তাই সূর্যগ্রহণ এমনিতেই বহু জায়গায় দেখা যাচ্ছে না। তবু যতটুকু দেখা যায়। কিন্তু এদিকে করোনাও আছে। এতগুলো বিপত্তি নিয়ে কীভাবে গ্রহণের সাদ নেওয়া যায়? দেখলাম একসঙ্গে দুটো মেনটেন করতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই এটা বানালাম’। অমিত বলেন , ‘করোনার কারণে মুখে মাস্ক হাতে গ্লাভস। বারবার স্যানিটাইজার এর ব্যবহার। এত কিছুর মধ্যে আবার সূর্যের গ্রহণ দেখার জন্য আলাদা করে চোখে চশমা! তার জায়গায় এই ডুয়াল ফেস গার্ড অনেকেই পরখ করছেন। অনেকেই সৌর শিল্ড পরে দেখলেন মেঘলা আকাশের গ্রহণ’
রবিবার, ২১ জুন যে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে, তা ২৫ অক্টোবর, ২০২২ পর্যন্ত দেশ থেকে দৃশ্যমান শেষ সূর্যগ্রহণ। উল্লেখ্য, কলকাতা থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে বলে জানানো হয়েছে। দিল্লির নেহরু প্ল্যানেটেরিয়াম-এর ডিরেক্টর প্রোফেসর অরবিন্দ পরঞ্জপে জানিয়েছেন যে গুজরাটের ভুজ হলো সেই শহর, যেখানে প্রথম গ্রহণের সূচনা দেখা যাবে সকাল ৯.৫৮ মিনিটে। চার ঘণ্টা পর, ২.২৯ মিনিটে গ্রহণের শেষ পর্ব দেখা যাবে আসামের ডিব্রুগড় শহর থেকে।

আগেই জানানো হয়েছিল বলয়গ্রাস প্রথম দেখা যাবে ভারতের পশ্চিম সীমান্তে ঘেরসানা থেকে, সকাল ১১.৫০ নাগাদ। এর স্থায়িত্ব হবে ৩০ সেকেন্ড। দিল্লি থেকে ১৫৫ কিমি দূরে কুরুক্ষেত্র থেকে এই সময় সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে গ্রহণ। উত্তরাখণ্ডের দেহরাদুন থেকেও এই সময় দেখা যাবে তা। উত্তরাখণ্ডের কলঙ্ক পাহাড় থেকে ১২.১০ নাগাদ শেষবার দেখা যাবে বলয়গ্রাস, যার স্থায়িত্ব হবে ২৮ সেকেন্ড। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গ্রহণের সময় হলো সকাল ৯.১৫ থেকে দুপুর ৩.০৫ পর্যন্ত। ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে এক মিডিয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ভারতে বলয়গ্রাসের তুঙ্গে সূর্যের প্রায় ৯৮.৬ শতাংশ ঢাকবে চাঁদের ছায়ায়। এই পর্বে ৯৪ শতাংশ, গুয়াহাটি থেকে ৮০ শতাংশ, শিলচর থেকে ৭৫ শতাংশ, এবং কলকাতা থেকে ৬৬ শতাংশ গ্রহণ দৃশ্যমান হবে।

জীবনের জয়গান মুকেশের এই অদ্ভুত লড়াই: Watch Aparajito Episode 2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close