রেসিপি

ধনেপাতা ও কালোজিরার ভর্তা

আগামবার্তা ডেস্ক: একটানা মাংষ খেতে খেতে মুখে অরুচি চলে আসে।  এছাড়া যদি গায়ে একটু জর জর ভাব থাকে তাহেলেও মুখের রুচির বারোটা বাজে। তাই মুখের রুচি ফেরাতে একটু বিভিন্ন রকম ভর্তা খেয়ে দেখুন। মুখোরোচক ভর্তা তৈরি করে খান দুইতিনদিন পর পর। খাবারের মেনুতে রাখুন একদিন আলুভর্তা, একদিন বেগুন ভর্তা। আর আরো বেশি মুখোরোচক ভর্তা হলো কালোজিরা ভর্তা, ধনেপাতা ভর্তা। চলুন এদুটি ভর্তা করে দেখাই- ধনেপাতা ভর্তা-
উপকরণ:
১। ধনে পাতা: ১ কেজি
২। রসুন: ২০০ গ্রাম
৩। শুকনা মরিচ: ১০/১২ টা
৪। তেঁতুল: ২০০ গ্রাম
৫। সরষের তেল: ৩০০ মিলি
৬। সিরকা: ১৫০ মিলি
৭। লবণ: প্রায় দেড় টেবিল চামচ (স্বাদ অনুযায়ী কম বেশী হতে পারে)। প্রস্তুত প্রণালী-
১। সিরকা দিয়ে তেতুল ভিজিয়ে রাখি। এবার ধনে পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে বাতাসে শুকিয়ে নিই।
২। ৫/৭ টা শুকনা মরিচ এবং রসুন সহ ধনে পাতা বেটে নিই।
৩। পনের মিনিট পর তেঁতুল চটকে ক্বাথ বের করে নিই।
৪। বাটা ধনে পাতার সাথে তেঁতুলের ক্বাথ, ২/৩ টেবিল চামচ সরষের তেল এবং লবণ সহ বেশ করে মিশিয়ে বড় কাঠের থালায় সমান ভাবে ছড়িয়ে কড়া রোদে দুই দিন শুকিয়ে নিই।
৫। শুকিয়ে একটু শক্ত হয়ে এলে মার্বেলের আকারে গুলি বানিয়ে নিই।
৬। ওই থালায় একটু তেল মেখে মার্বেল গুলি আবার ১ দিন রোদে দিই।
৭। রোদ হলে মার্বেল গুলি বয়ামের অর্ধেক পরিমাণ ভরে রাখি।
৮। বাকী তেল বয়ামে ঢেলে আবার ২/৩ দিন রোদে দিই।
৯। মাঝে মাঝে রোদে দিলে প্রায় ২/৩ বৎসর রাখা যায়। কালোজিরা ভর্তা-
উপকরণ-
কালোজিরা চা চামচের ৩ চামচ
পেঁয়াজকুচি এক কাপ
বড় কোয়া রসুন ২টা (কোয়াগুলি ছুলে নিন)
কাঁচা মরিচ ৭-৮টা (বোটা ফেলে পেছন দিকটা একটু চিরে দিন। নাহলে আস্ত মরিচ গেরম তেলে ফেটে আপনার গায়ে ছুটে আসতে পারে) প্রস্তুত প্রণালী-
একটি কড়াইয়ে ওই পেঁয়াজ আর রসুন ভাজতে পরিমানমতো তেল দিন। তেল গরম হলে তাতে পেঁয়াজ, রসুন আর আস্ত মরিচগুলো দিয়ে দিন। এগুলো ভাজতে থাকুন।পরিমানমতো লবন দিন। পেঁয়াজগুলো একটু বাদামি হয়ে আসলে পেঁয়াজরসুনগুলো কড়াইয়ের ঠিক মাঝখান থেকে সরিয়ে নিন। যে তেলটা মাজখানে থাকে। ওই তেলে কালোজিরা দিয়ে নাড়তে থাকুন। কয়েক সেকেন্ড নাড়ার পর ফেনা উঠা বন্ধ হবে। এবার পাশে সরিয়ে রাখা পেয়াজ-রসুন দিয়ে নাড়ুন। একমিনিট পর সেগুলো তুলো ফেলুন। এরপর শিল-পাটায় সেগুলো বেটে নিন। গরমভাতে পরিবেশন করুন। আরপি/ এ/এইচ

বিষয়ঃ

Leave a Reply

Back to top button
Close