International

নাইট কার্ফু প্রত্যাহারের দাবি, জর্জিয়ার সংসদ ঘিরে বিক্ষোভ নাগরিকদের

তিবিলিসি : নভেম্বর মাস থেকে চলা নাইট কার্ফু প্রত্যাহার করে নিতে হবে। এমনই দাবি বিক্ষোভকারীদের। আর সেই দাবি নিয়েই জর্জিয়ার সংসদ ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন সেদেশের নাগরিকরা। স্থানীয় সময় শনিবার জর্জিয়া পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ দেখান শয়ে শয়ে মানুষ। তাঁদের একটাই দাবি তুলে নিতে হবে নাইট কার্ফুর সিদ্ধান্ত।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই জর্জিয়া প্রশাসন নাইট কার্ফু চালু করে নভেম্বর মাসে। তবে এপ্রিলে সেই নাইট কার্ফুর আর প্রয়োজন নেই বলে দাবি তুলে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক প্রতিবাদকারী নানিকো স্যামকারাদজে জানান পার্লামেন্টের সামনে তাঁরা মিছিল করে এসেছেন, ভোর ৫টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে। করোনা বিধির কড়াকড়িতে মানুষ বিপর্যস্ত। এই নিয়মের এখন কোনও অর্থ নেই। যতদিন না নাইট কার্ফু তুলে নেওয়া হচ্ছে, ততদিন বিক্ষোভ চলতেই থাকবে।

দেশে নাইট কার্ফু জারি করার ২০০ দিনের মাথায় এরকম বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। সাদা দেশ জুড়ে নাইট কার্ফু জারি থাকছে রাত ৯টা থেকে সকাল পাঁচটা পর্যন্ত। সংবাদ সংস্থা স্পুটনিক জানাচ্ছে জর্জিয়ায় করোনার থার্ড ওয়েভ চলছে। গত মাসেও করোনা বিধি প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তপ্ত হয়েছিল জর্জিয়া।

জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় জানাচ্ছে জর্জিয়াতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২,৮৩,৩৬৯। শনিবার পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩,৮০৪ জনের।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন অ্যাস্ট্রোজেঙ্কার ভ্যাকসিনকে নিরাপদ বলে জানিয়েছে। কিন্তু বহু দেশ এই টিকাকে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। অনেকের শরীরে রক্ত তঞ্চনের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক দেশের সরকার। জার্মানির চ্য়ান্সেলার অ্যাঞ্জেলা মার্কেল বলেছেন, বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি এর থেকে খুব কম পরিমাণে হলেও থ্রম্বোসিসের গুরুতর মামলার সন্ধান পেয়েছেন। তাদের (জার্মানি ভ্যাকসিন কমিশন) অনুসন্ধান কোনওভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যায় না। জার্মানি ভ্যাকসিন কমিশন মঙ্গলবার জানিয়েছে যে ৬০ বছরের কম বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই টিকা প্রয়োগ না করাই ভাল। কারণ অনুসন্ধানের ফলে দেখা গিয়েছে এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে থ্রম্বোসিস দেখা দিচ্ছে। যদিও এর সংখ্যা অত্যন্ত কম।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button