International

নানকানা গুরুদ্বারে হামলা, তিন অভিযুক্তকে কারাদণ্ড পাক আদালতের

লাহোর: ২০২০ সালের জানুয়ারি৷ পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে গুরুদ্বার নানকানা সাহিবে তাণ্ডব চালায় উন্মত্ত জনতা৷ শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরু নানকের জন্মস্থান নানকানা সাহিবে এই হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে প্রবল নিন্দার ঝড় ওঠে৷ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ভারত৷ মঙ্গলবার এই ঘটনায় অভিযুক্ত তিন অপরাধীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিল পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী আদালত৷

নানকানা গুরুদ্বার ধ্বংস করে সেই স্থানে ‘গুলামান-ই-মুস্তাফা’ মাজার তৈরি করার হুঙ্কার তুলে নির্লজ্জভাবে হামলা চালিয়েছিল উন্মত্ত জনতা৷ চলে মুহূর্মুহ পাথর বৃষ্টি৷ পরে গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয় পুলিশকে৷

এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ইমরান চিস্তিতে দুই বছর জেল সহ ১০ হাজার পাকিস্তানি মুদ্রা জরিমানা করা হয়েছে৷ বাকি দুই অপরাধী মহম্মদ সালমান এবং মহম্মদ আহমেদকে ছয় মাসের সাজা শুনিয়েছে পাক সন্ত্রাসবিরোধী আদালত৷ তবে বাকি চার অভিযুক্তকে সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস করা হয়েছে৷

নানকানা হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের পাক দণ্ডবিধি এবং ৭-অ্যান্টি টেররিজম আইনের ২৯৫এ, ২৯০, ২৯১, ৩৪১, ৫০৬, ১৪৮ এবং ১৪৯ ধারায় গ্রফতার করা হয়৷ এফআইআর থেকে জানা গিয়েছে ইমরান চিস্তি একজন সরকারি কর্মচারি৷ মৎস্য দফতরে তিনি কাজ করতেন৷

চিস্তিই ধর্মের নামে শিখ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই হামলায় উস্কানি দেয়৷ পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে মুসলিম জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ আনে৷ চিস্তি সহ বাকি অভিযুক্তদের সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়৷

এই ঘটনার পরই কড়া ভাষায় গুরুদ্বরা হামলার নিন্দা করে ভারত৷ পাকিস্তানে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাত্তার দাবি জানায় নয়াদিল্লি৷ একইসঙ্গে এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার দাবিও জানানো হয় ইমরান সরকারের কাছে। ইমরান খানকে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার দাবি জানান পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং৷

নানকানা সাহিব গুরুদ্বার জনম আস্থান নামেও পরিচিত৷ লাহোরের অনতিদূরে অবস্থিত এই গুরুদ্বার৷ এখানেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন শিখ ধর্মগুরু গুরু নানাক৷

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I

Back to top button