Technology

নাসার চন্দ্রাভিযানে শামিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত

ওয়াশিংটন: নাসার (NASA) তালিকায় ফের জুড়ল এক ভারতীয়ের নাম। চাঁদ এবং মহাকাশে আরও দূরে মহাকাশ যান পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে নাসা। এই প্রকল্পের জন্য রকেট কোর স্টেজ (rocket core stage)পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুভাষিনী আইয়ার (Subashini Iyer)। কোয়েম্বাটোরে জন্ম সুভাষিনীর। তিনি গত ২ বছর ধরে স্পেস লঞ্চ সিস্টেমের (Space Launch System বা SLS) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সুভাষিনী আইয়ার ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা চাঁদে শেষ পা রেখেছি প্রায় ৫০ বছর হয়ে গেল। এবার আমরা মানুষকে আবার চাঁদে এবং তারও বাইরে- মঙ্গলে নিয়ে যেতে তৈরি হচ্ছি। আমার মূল কাজ হল কোর স্টেজ তৈরি হয়ে গেলে তা নাসাকে হস্তান্তর করা এবং তারপর নাসার কোনও সাহায্য প্রয়োজন কি না তা পর্যবেক্ষণ করা।” নাসার আর্টেমিস লুনার এক্সপ্লোরেশন প্রোগ্রামে (Nasa’s Artemis lunar exploration program) নতুন প্রযুক্তি এবং সিস্টেম ব্যবহার করে চাঁদের উপর আরও গবেষণা চালাতে সাহায্য করবে। নাসার নতুন রকেট, স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) পৃথিবী থেকে প্রায় চতুর্থাংশ মিলিয়ন মাইল অবধি ওরিয়ন মহাকাশ যানের সাহায্যে মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে পাঠাবে। নাসা চাঁদের জন্য দুটি মিশন স্থির করেছে। দুটি মিশনের নাম রাখা হয়েছে আর্টেমিস ওয়ান এবং আর্টেমিস টু। প্রথম হ’ল SLS এবং অরিওন মহাকাশযান একসঙ্গে পরীক্ষা। এক্ষেত্রে যানে কোনও মানুষ (crwe) থাকবে না। তারপর আর্টেমিস টু মিশনে SLS এবং অরিওন মহাকাশযান একসঙ্গে পরীক্ষা হবে এবং এক্ষেত্রে ক্রু উপস্থিত থাকবে। নাসা আর্টেমিস থ্রি মিশনের আওতায় ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদে মহাকাশচারীদের পাঠাবে।

চাঁদ ও মঙ্গল ছাড়া এখন নাসার সামনে রয়েছে শুক্র অভিযান। এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রে মোট ২টি অভিযান চালানো হবে। প্রতিটি মিশনের জন্য খরচ হবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার বা ৩৫২ মিলিয়ন ইউরো। জানা গিয়েছে এই দুটি মিশন হবে ২০২৮ ও ২০৩০ সালে। প্রথম ক্ষেত্রে শুক্রের জলবায়ু, মাটি ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করা হবে। দ্বিতীয়টি প্রথমটির উপর ভিত্তি করে এগোবে। প্রথম মিশনের নাম রাখা হয়েছে দ্য ভিঞ্চি ও দ্বিতীয় মিশনের নাম রাখা হয়েছে ভেরিটাস। মূলত শুক্রের পৃষ্ঠে খনিজের সন্ধান করাই এই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য। তবে শুক্র অভিযানে নাসাকে টক্কর দিতে পারে ইসরো (ISRO)। ইসরো ফের একটি ‘মার্স অরবিটর মিশন’ বা MOM করতে চলেছে। এর নাম রাখা হয়েছে ‘মার্স অরবিটর মিশন ২’।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button