offbeat news

নিষ্ঠুর হত্যা! হাজারো বছরেও পচেনি দেহ

নয়াদিল্লি: কারও মৃত্যুর পর তার দেহ দেখতে আমরা পছন্দ করি না। কিন্তু আগেকার দিনে এই দেহকেই বিশুদ্ধ করে রাখা হতো মমি বানিয়ে। তবে এই মমির বিশেষত্ব হলো এটি প্রাকৃতিকভাবেই তৈরি হয়েছে। বগ বডির রহস্য আপনাদের অবাক করবে। সবার শেষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শত্রুপক্ষের হাতে নিহত রুশ সৈন্যের দেহ পাওয়া গিয়েছে যা দেখে মনে হবে কেউ সেখানে গ্রাফাইট দিয়ে খোদাই করেছে।

টাটকা মৃতদেহ দেখে মনে হলেও তার মৃত্যু হয় কমপক্ষে আড়াই হাজার বছর আগে। এই মমিতে নেই কোনো রাসায়নিক উপাদান। এর চেয়েও বয়স্ক আর একটি নারির বগ বডি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে যা ১০ হাজার বছর পুরোনো।

তবে কোনো দেহের গায়েই পোশাক ছিল না। বিশ্লেষণ করে জানা গিয়েছে যে বগ মানুষদের হত্যা করে পিট বগে ফেলে রাখা হয়েছিল। তখন হয়তো ধারণা ছিল না যে সেখানে দেহ রাখলে তা পচে না। বরং থেকে যায় বছরের পর বছর একইরকমভাবে। তবে কেনো কেউ এদের হত্যা করবে সেই তথ্য জানা যায়নি। কেউ কেউ বলছেন দেবতাদের উদ্দেশ্যে বলি দেওয়া হয় তাদের। আবার অনেকে বলছেন অন্যায় করার শাস্তি পেয়েছেন তারা।

একটি দেহে লাল চুল ও লাল দাড়ি দেখা গিয়েছে। এর মৃত্যু হয়েছে আজ থেকে দুই হাজার বছর আগে এমনটাই ধারণা। মমিগুলি কীভাবে এতটা অবিকৃত রয়েছে তা সত্যিই একটি রহস্য যা আজও অমীমাংসিত। মিশরের মমির চেয়েও পুরোনো মমি রয়েছে পৃথিবীতে। মাটিতে পড়লেই নান বিক্রিয়ায় এই দেহগুলি সংরক্ষিত হয়ে যায় নিজের থেকে। কিছু কিছু বগ বডি থেকে তাদের অস্তিত্ব জানা গিয়েছে। এখনও সন্ধান ও গবেষণা চলছে।
এই দেহগুলি প্রমাণ দেয় যে প্রকৃতির মধ্যেও কত রহস্য রয়েছে যা মানুষের পক্ষে পুরোটা আত্মসাৎ করা অসম্ভব। তবে গবেষকরা দেহগুলি নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছেন যে কীভাবে এরা এভাবেই অক্ষুণ্ণভাবে টিকে রয়েছে। তবে কেনো তাদের এমন পরিণতি হলো তাও জানতে চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।

Back to top button