International

নেপাল হয়েই ভারতে হামলার ছক কষেছিল চিন, CIA রিপোর্টে উঠে এসেছিল সেই তথ্য

ওয়াশিংটন:  ভারতে বড়সড় হামলার ছক কষেছিল চিন। ১৯৬২ সালে এই হামলার ছক ছিল লালচিনের। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র রিপোর্টে উঠে আসে এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বছরখানেক আগে এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট আসে। সেখানেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছিল।
পড়ুন আরও- ভারতীয় ভূখন্ডে ম্যাপ এঁকে দিল চিন, ফের শিরোনামে প্যাংগং
বছরখানেক এই রিপোর্ট সেই সময় জানায় যে, ১৯৬২ সালে ভারত-চিন সীমান্তে যুদ্ধের পর ফের ভারতে হামলার ছক কষেছিল বেজিং। একেবারে গোপনে নেপাল, ভূটান এবং মায়ানমার হয়ে অতর্কিতে ভারতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল চিন।
পড়ুন আরও- রিয়া ছুটে যেতেন মহেশের অফিসে, ভাইরাল বিস্ফোরক পোস্ট
মূলত তিব্বত নিয়ে সমস্যা এবং সীমান্তে ভারতের সঙ্গে সমস্যার জেরে ১৯৬২ সালে প্রায় এক মাস ধরে যুদ্ধ করে চিন। মাস ধরে চলা যুদ্ধ শেষে ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় লালচিন। এবং যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে বেজিং। এক তরফাভাবে ওই সময় যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করার পর ফের ভারতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করে চিন।
শুধু তাই নয়, উত্তরাখন্ড, গুয়াহাটি সহ গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত যাতে দখল করা যায়, সে বিষয়েই পরিকল্পনা করেছিল চিন। আকাশ পথেই গোটা উত্তর ভারত দখলের পরিকল্পনা চিনের ছিল বলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে।

অন্যদিকে, চিনের উদ্দেশ্যে বারবার ভারত বন্ধুত্বের বার্তা দিলেও লালচিনের সরকার যে কখনও মেনে নেয়নি, সেই বিষয়টিও মার্কিন গোয়েন্দাদের রিপোর্টে তুলে ধরা হয়। বছরখানেক আগে সামণে আসা এই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট ঘিরে শুরু হয় জোর বিতর্ক। সেই সময় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চিন। এমনকি এই রিপোর্টের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন।

সম্প্রতি, উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে ভারতের প্যাংগং লেকের ধারে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অস্থায়ী ক্যাম্প। রয়েছে সাজোঁয়া গাড়ি, ও সমরাস্ত্র। অর্থাৎ এটা পরিষ্কার যে ভারতকে চাপে রাখতে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। ভারতীয় সেনা বরাবরই ফিঙ্গার ১ থেকে ৮ পর্যন্ত টহল দেয়। কিন্তু এবার তা করতে গিয়ে বাধা পাচ্ছে নয়াদিল্লি। চিন দাবি করছে ফিঙ্গার ৮ থেকে ফিঙ্গার ৪ পর্যন্ত তাঁদের এলাকা। যা কখনই মেনে নেবে না ভারত।

প্রায় ৮১ মিটার লম্বা ও ২৫ মিটার চওড়া যে মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে, তা স্পষ্ট চোখে পড়ছে। এইচডি মানের উপগ্রহ চিত্র আরও দেখাচ্ছে যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে উস্কানি দিতেই এই মানচিত্র ও লিপি আঁকা হয়েছে। এই ছবি ২৬শে জুন তোলা হয়। পরে তা প্রকাশ্যে আসে। এই মানচিত্র ও লিপি ম্যান্ডারিন ভাষায় লেকের ধারে আঁকা হয়েছে।

কলকাতার ‘গলি বয়’-এর বিশ্ব জয়ের গল্প

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close