Recipe

পলক ফেলতেই তৈরি হয়ে যাবে কোকোনাট কুলফি

গরমে একেবারে ভাজা ভাজা অবস্থা৷ ডোন্ট ওরি৷ আপনার সঙ্গে রয়েছে Kolkata24x7- এর রেসিপি কলাম৷ যেখানে বিভিন্ন খাবারের রেসিপি যেমন রয়েছে, তেমনই কোন সময়ে কী খাবার তৈরি করতে পারেন তাও বলে দেওয়া আছে৷ এই যেমন গরমের কথাই ধরুন৷ ছোট থেকে বড় সকলেই নাজেহাল৷ সবসময়ই মনে হচ্ছে একটু ঠান্ডা খেলে হত না৷ আর ঠান্ডা বলতেই মনে পড়ে যায় আইসক্রিম বা কুলফির কথা৷ কোকোনাট কুলফি ট্রাই করতে পারেন বাড়িতেই৷ কিন্তু কীভাবে করবেন সেটাই ভাবছেন তো? নীচেই দেওয়া হল কোকোনাট কুলফির রেসিপি৷

কোকোনাট কুলফি-

উপকরণ:
কোরানো নারিকেল ১টা (মাঝারি)। দুধ ১/২ লিটার। কনডেন্সড মিল্ক ২ বা ৩ টেবিল-চামচ। চিনি স্বাদ অনুযায়ী। লবণ ১ চিমটে৷

প্রণালী:
দুধ ফুটে উঠলে নামিয়ে নিন৷ দুধ হালকা গরম থাকতে থাকতে করে সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। এবার অর্ধেক ব্লেন্ড করা নারিকেলে খুব ভালো করে চিপে তুলে ফেলুন। বাকি অর্ধেক রেখে দিন। আবার এক মিনিট ব্লেন্ড করে মিশ্রণটি আইসক্রিমের বক্সে ঢালুন। চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। ফ্রিজ থেকে বের করে কিউব করে কেটে আবারও কিছু সময়ের জন্য ফ্রিজে রাখুন। এক, দুঘণ্টা পরে পরিবেশন করুন কোকোনাট কুলফি ।

তবে যাদের কোকোনাট একেবারেই না পসন্দ, তাঁদের দিতে পারেন মালাই কুলফি৷ এর রেসিপিও দেওয়া হল নীচে৷

মালাই কুলফি-

উপকরণ:
১ লিটার দুধ, ৩-৪ টেবিল চামচ ক্রিম (মালাই ব্যবহার করতে পারেন, অর্ধেক কাপ চিনি, ৩-৪ টি এলাচ দানার গুঁড়ো, পেস্তা বাদাম কুচি (ইচ্ছা), কাজু বাদাম কুচি (ইচ্ছা), জাফরান (জাফরান শুধুমাত্র রঙ এবং ফ্লেভারের জন্য দেয়া, আপি ইচ্ছে হলে নিজের পছন্দের ফ্লেভার যোগ করতে পারেন)

প্রণালী:
একটি প্যানে দুধ দিয়ে তা ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর জাফরান দিতে চাইলে একটু দুধ তুলে জাফরান গুলে রাখুন আলাদা করে। এবং প্যানে ক্রিম বা মালাই দিয়ে দিন। ২০ মিনিট বা তার বেশি সময় ভালো করে নেড়ে নেড়ে দুধ ঘন করতে থাকুন। এরপর দুধ শুকিয়ে অর্ধেকটা হয়ে এলে ফ্লেভার দিন, চিনি এবং বাদাম কুচি দিয়ে আরও ৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণ নামিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিন। সাধারণ তাপমাত্রায় এলে কুলফি মোল্ড বা নিজের পছন্দের মোল্ডে ঢেলে ফ্রিজে রেখে সেট হতে দিন। মাঝে খানিকক্ষণ সেট হয়ে গেলে ভেতরে কাঠি ঢুকিয়ে নিন এবং পুরোপুরি সেট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার ফ্রিজ থেকে কুলফি বের করে মোল্ড থেকে বের করে পরিবেশন করুন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা মালাই কুলফি।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

অতিমারীর মধ্যে দূরে থেকে কিভাবে চলছে পাবলিক রিলেশন জানাচ্ছেন পি.আর বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বসু।

Back to top button