International

পশু পাখিদের থেকে করোনা সংক্রমণ রুখতে রুশ টিকা ‘কারনিভ্যাক-কভ’

মস্কো: বিশ্বে প্রথম করোনা টিকা তৈরির দাবি করা রাশিয়ার আরও এক দাবি, পশু প্রাণীদের থেকে সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তার জন্য টিকার প্রয়োগ শুরু হয়েছে। অন্যদিকে মানুষের জন্য চলছে স্পুটনিক ভি টিকা দানের বিরাট কর্মকাণ্ড। এই টিকার কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্তোষ জানিয়েছেন

স্পুটনিক ভি টিকার পর কারনিভ্যাক-কভ টিকা নিয়ে চলছে চর্চা। রুশ সংবাদসংথা তাস জানাচ্ছে,
মানুষের করোনা টিকার নিবন্ধনের পর গত মার্চ মাসে পশুপাখির জন্য টিকা তৈরির বিষয়ে কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়েছে।

বিভিন্ন সময়ে দেখা যাচ্ছে, পশু পাখিদের থেকেও মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণ হয়েছে। এতে উদ্বেগে পড়েন বিশেষজ্ঞরা। এভাবে সংক্রমণ রুখতে টিকা তৈরির বিষয়ে জোর দেওয়া হয়। অগ্রগতির সুখবর দেয় রাশিয়া। কুকুর, বিড়াল, শিয়াল সহ বেশ কয়েকটি প্রাণীর দেহে কারনিভ্যাক-কভ টিকা অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানানো হয়। সেই টিকার প্রথম ব্যাচ তৈরি করা হয়েছে এবং এগুলো দেশটির কয়েকটি অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। রুশ সরকার এ কথা জানিয়েছে।

রুশ সংবাদ সংস্থা তাস সূত্রে খবর, পশু পাখি থেকে করোনা সংক্রমণ আটকাতে রাশিয়ায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ডোজ। এই টিকা কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান সহ বিশ্বের অন্তত ১২টি দেশ। সে সব দেশে গবাদি পশু, পোষ্যদের উপর প্রয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। কৃষিভিত্তিক এলাকার উপর প্রাথমিকভাবে বেশি জোর দেওয়া হবে এই টিকা দান প্রকল্পে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানাচ্ছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোটি কোটি মানুষ। মৃত্যুর হার বাড়ছে। আবার সুস্থতারও বাড়ছে। চলছে টিকাদান প্রকল্প। তবে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয়েছে অন্য প্রাণীর মধ্যে। মানুষ থেকে অন্য প্রাণী এবং অন্য প্রাণী থেকে মানুষের দেহে ব্যাপক হারে ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে হু উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। রুশ টিকা কার্যকরী হলে সংক্রমণের ধাক্কা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button