রান্নারান্নাঘররেসিপি

পহেলা বৈশাখে যেসব রান্না করতে পারেন | আগাম বার্তা

পহেলা বৈশাখে যেসব রান্না করতে পারেন

এপ্রিল ১০, ২০১৯ ০ comments

রঙিন ডেস্ক : পহেলা বৈশাখে বাঙালির ঘরে ঘরে চলে দেশীয় রান্নার আয়োজন। নানান পদের ভর্তা আর ইলিশ-এর কয়েকপদের আয়োজন থাকে। কিন্তু আপনি কি কি খাবার রান্না করতে চান? এখানে পহেলা বৈশাখের রান্না করার জন্য কয়েকটি রেসিপি দেয়া হলো। এগুলো রান্না করতে পারেন পরিবারের সবার জন্য-

ইলিশ ভুনা
উপকরণ: মাঝারি আকারের ১টি ইলিশ মাছ, পিঁয়াজ ১০ থেকে ১২টি, শুকনো মরিচ গুঁড়ো ১চা-চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১চা-চামচ, রসুন বাটা ১চা-চামচ, আদা বাটা ১চা-চামচ, লবণ আন্দাজ মতো, সয়াবিন তৈল পরিমাণ মতো, কাঁচা মরিচ ৩টি থেকে ৪টি, লেবুর রস ১চা-চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন: মাছ কাটা হলে কড়াইয়ে তেল দিয়ে তেল গরম করতে হবে। তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচিগুলো তেল দিয়ে অনেক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। পেঁয়াজ কুচিগুলো বাদামী রং হলে লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে প্রথমে আদাবাটা ও রসুনবাটা দিয়ে ততোক্ষন পর্যন্ত নাড়তে হবে যতক্ষন আদাবাটা ও রসুনবাটা পিঁয়াজের সাথে মিশে না যায়। তারপর শুখনো মরিচগুঁড়ো ও হলুদের গুঁড়ো দিয়ে নেড়েচেড়ে সামান্য পানি দিয়ে কষাতে হবে। কষানোর সময় অবশ্যই ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। কিছুক্ষন কষানের পর পরিমাণমতো পানি ও মাছ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। পানি শুকিয়ে পিঁয়াজ সিদ্ধ হয়ে এলে মাছটা সিদ্ধ হয়ে আসবে। তারপর কিছুক্ষন নিভু আঁচে রেখে নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে লেবের রসটুকু দিয়ে দিতে হবে। লেবুর রস যে দিতে হবে এমন কোন কথা নেই। যার পছন্দ দিতে পারেন। যার পছন্দ নয় দিবেন না।

আরো পড়ুন:- বডিস্প্রের সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করার ৫ কৌশল

পটলের খোসা ভর্তা
উপকরণ: পটল, পেঁয়াজ, রসুন, লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে আপনার প্রয়োজন মাফিক কয়েকটি পটল সিদ্ধ করে নিন। এরপর ঠাণ্ডা করুন। পেঁয়াজ-রসুনকুচি, স্বাদ মতো লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা কুচি আর কাঁচামরিচ দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন পটলের খোসাভর্তা।

মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া টুকরা করে নেওয়া ২ কাপ। পেঁয়াজকুচি ৩ টেবিল-চামচ। ধনেপাতা-কুচি ২ টেবিল-চামচ। শুকনামরিচ টেলে নেওয়া প্রয়োজন মতো। সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদ মতো।
যেভাবে তৈরি করবেন: মিষ্টিকুমড়া টুকরা করে সিদ্ধ করতে হবে। এরপর একটা বাটিতে পেঁয়াজকুচি, ধনেপাতা-কুচি, মরিচ ও তেল দিয়ে মাখিয়ে, তাতে সিদ্ধ মিষ্টিকুমড়া দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে। লবণ ও মরিচ আপনার স্বাদ মতো দেবেন।

টমেটো ভর্তা
উপকরণ: টমেটো ৫,৬টি। পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল-চামচ। ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ। শুকনামরিচ-গুঁড়া পরিমাণ মতো। সরিষার তেল ২ চা-চামচ। লবণ স্বাদ মতো।
যেভাবে তৈরি করবেন: টমেটো সিদ্ধ করে চুলার আগুনে পোড়া পোড়া করে ফেলতে হবে। একটা বাটিতে পেঁয়াজকুচি, ধনেপাতা-কুচি, শুকনামরিচ লবণ ও তেল মাখিয়ে নিন। এতে টমেটোগুলো দিয়ে একসঙ্গে ভালো ভাবে মাখিয়ে নিন। দেখবেন চমৎকারভাবে তৈরি হয়ে যাবে মজাদার টমেটো ভর্তা।

মসুর ডাল ভর্তা
উপকরণ: মসুর ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: মসুর ডাল পরিমাণ মতো সিদ্ধ করে তাতে ভাজা পেঁয়াজ-রসুনকুচি, স্বাদমতো লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা-কুচি আর কাঁচামরিচ দিয়ে মাখিয়ে নিলেই হয়ে যাবে মসুর ডালভর্তা ।

কচু ভর্তা
উপকরণ: কচু, পেঁয়াজ, রসুন, লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা ও কাঁচামরিচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: পরিমাণ মতো কচু সিদ্ধ করে তাতে পেঁয়াজ-রসুনকুচি, স্বাদ মতো লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা-কুচি ও মরিচ দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন কচুভর্তা।

ডিম ভর্তা:
উপকরণ : ডিম, লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা ও মরিচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: আপনি যে কয়টি ডিম ভর্তা করতে চান, সে কয়টি ডিম আগে সিদ্ধ করে নিন। এরপর সিদ্ধ ডিমগুলোর খোসা ছাড়িয়ে স্বাদ মতো লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা-কুচি ও মরিচ দিয়ে মাখিয়ে নিন।

করলা ভর্তা
উপকরণ: করলা, পেঁয়াজ-রসুন কুচি, লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা ও মরিচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: করলা পরিমাণ মতো সিদ্ধ করে তাতে পেঁয়াজ-রসুন কুচি, স্বাদ মতো লবণ, সরিষার তেল, ধনেপাতা-কুচি ও মরিচ দিয়ে মাখিয়ে তৈরি করুন করলাভর্তা ।

পুঁটিমাছ ভাজি
উপকরণ: ৬-৭ টি ছোট পুঁটিমাছ, অল্প লবণ, লেবুর রস, হলুদ, মরিচের গুঁড়া ও পরিমান মতো তেল।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে পুঁটিমাছগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর তাতে অল্প লবণ, লেবুর রস, হলুদ ও মরিচের গুঁড়ায় মিশিয়ে তেলে কড়া করে ভেজে নিন।

মুগডাল
উপকরণ: মুগের ডাল ২৫০ গ্রাম। পেঁয়াজকুচি আধা কাপ। লবণ স্বাদ মতো। ফোঁড়নের জন্য সরিষা এবং সরিষার তেল পরিমাণ মতো। হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ। পানি পরিমাণ মতো।
যেভাবে তৈরি করবেন: ডাল পানি দিয়ে ধুয়ে সিদ্ধ করে রাখুন। একটি কড়াইতে সরিষার তেল গরম করে তাতে সরিষার ফোঁড়ন দিন। সামান্য হলুদগুঁড়া এবং স্বাদ মতো লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে, ডাল ঘন হয়ে এলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

আতপ চালের পায়েস
উপকরণ: আতপ চাল ১ কাপ। দুধ ১ লিটার। পেস্তা-বাদাম এবং আমন্ড পেস্ট ১ কাপ। চিনি স্বাদ মতো। মাওয়া আধা কাপ। দারুচিনি আর এলাচ ২টি করে ।
যেভাবে তৈরি করবেন: চাল ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এবার একটি পাত্রে দুধ নিয়ে চুলায় ফোটান। দুধ ফুটে উঠলে চিনি ও চাল দিয়ে ভালো করে নাড়তে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বাকি সব উপকরণ আস্তে আস্তে মেশাতে ও নাড়তে হবে। হয়ে গেলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন ।

দই-চিংড়ি ভাপা
উপকরণ: চিংড়ি-৩৫০ গ্রাম, টক দই- ১ কাপ, পেঁয়াজ- ২০০ গ্রাম, পোস্ত- ২ টেবিল চামচ, গরমমশলা গুঁড়ো- ২ চা চামচ, নারকেল কোরা- ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো- এক চিমটে, জিরে গুঁড়ো- ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ- ৫টি, মরিচ গুঁড়ো- ১ চা চামচ, সরষের তেল-আধ কাপ, লবণ-স্বাদ মতো, চিনি-১ চা চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে ভাল করে চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিন। এ বার সামান্য পেঁয়াজ বাটা, লবণ ও অল্প সরষের তেল দিয়ে চিংড়ি ম্যারিনেট করে রাখুন আধ ঘণ্টা। পোস্ত আর ২টি কাঁচা মরিচ এক সঙ্গে বেটে নিন। টক দই ফেটিয়ে রাখুন ভাল করে। কড়াইয়ে ডুবো তেলে পেঁয়াজ কুচি ভেজে তুলে নিন। এ বার একটি বাটিতে ফেটিয়ে রাখা টক দই, পোস্ত বাটা, এক চিমটে হলুদ গুঁড়ো, মরিচ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরমমশলা গুঁড়ো, লবণ ও চিনি মিশিয়ে নিন। বাকি কাঁচা মরিচ চিরে রাখুন। ম্যারিনেট করে রাখা চিংড়িগুলো মশলা মাখা টক দইয়ে মিশিয়ে দিন। এ বার একটি স্টিলের বাটি বা টিফিন বক্সের ভেতরের পাশে ভাল করে সরষের তেল মাখিয়ে রাখুন। সেই বাটির ভেতরে কিছুটা দই মাখা চিংড়ি দিন, আর খানিকটা ভেজে রাখা পেঁয়াজ দিন। উপরে আবার বাকি চিংড়ি দিন। তার উপরে অবশিষ্ট পেঁয়াজ ভাজা, কিছুটা টক দই, চেরা কাঁচা মরিচ ও সরষের তেল দিন। বাটি বা বক্সের মুখ চাপা দিন। তারপর একটি বড় কড়াই বা প্রেশার কুকারে পানি গরম করুন। পানি ফুটতে থাকলে চিংড়ির বাটিটা বসিয়ে দিন। কিছুক্ষণ ভাপে চিংড়ি হয়ে এলে নামিয়ে নিন। ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম।

নারিকেল-দুধে ইলিশ
উপকরণ: ইলিশ মাছ ৫-৬ টুকরা। দই ২-৩ টেবিল-চামচ। নারিকেল দুধ ১ কাপ। লবণ পরিমাণমতো। জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ। হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচের
চেয়েও কম। কাঁচামরিচ-বাটা ১ চা-চামচ বা প্রয়োজনমতো। পেঁয়াজকুচি ১টি। আদাবাটা ১ চা-চামচ। পেঁয়াজবাটা ১ চা-চামচ। ধনেপাতা ২ টেবিল-চামচ। কাঁচামরিচ ২-৩টি।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে মাছ হলুদ ও লবণ দিয়ে ধুয়ে নিন। এখন পেঁয়াজকুচি, বাটাপেঁয়াজ, আদাবাটা ও কাঁচামরিচ ছাড়া বাকি উপকরণ দিয়ে মাছ মাখিয়ে রাখবেন কিছুক্ষণ। এবার প্যানে তেল ৩ টেবিল-চামচ গরম করে পেঁয়াজকুচি দিন। পেঁয়াজ হালকা বাদামি হয়ে আসলে আদাবাটা, পেঁয়াজবাটা দিয়ে কয়েক সেকেন্ড নেড়ে মাখানো মাছগুলো প্যানে সাজিয়ে বসান এবং মসলাগুলো উপরে ঢেলে দিন। হালকা ভাবে নেড়ে ঢেকে রান্না করুন ২০-২৫ মিনিট। একটু মাখা মাখা হয়ে আসলে ধনেপাতার কুচি ও কাঁচামরিচ ছড়িয়ে দিয়ে কয়েক সেকেন্ড পর নামিয়ে নিন।

লইট্টা শুটকি ভর্তা
উপকরণ: লইট্টা শুঁটকি ২৫ গ্রাম। কাঁচামরিচ বা শুকনামরিচ ৩-৪টি (ঝাল নিজের মতো করে নিন)। লবণ পরিমাণমতো। পেঁয়াজকুচি ১টি। ধনেপাতার কুচি ২ টেবিল-চামচ। সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে শুঁটকি ছোট করে কেটে একটু টেলে নিন। তারপর গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন নরম হওয়া পর্যন্ত। ভালো করে ধুয়ে নিন যেন কোনো বালি না থাকে। এবার কাঁটা বেছে নিন। একটি প্যানে অল্প তেল গরম করে রসুন দিয়ে আগে নেড়ে তারপর পেঁয়াজকুচি দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন এবং শুটকি দিয়ে দিন। লবণ দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে দুই থেতে তিন মিনিট রান্না করুন। এবার টালা মরিচ ও ধনেপাতার কুচি দিয়ে মিহি করে পাটায় পিষে নিন বা ব্লেন্ড করে নিন। সেটা বাটিতে নিয়ে সরিষার তেল দিয়ে সবসহ ভালো করে একবার মাখিয়ে নিন। ব্যাস হয়ে গেল মজাদার লইট্টা শুটকি ভর্তা।

দই বড়া
উপকরণ: মাষকলাইয়ের ডাল ১ কাপ। আদাবাটা ১ চা-চামচ। লবণ ১ চা-চামচ। বিট লবণ ১ চা-চামচ। তেতুলের কাঁথ আধা কাপ। চিনি বা গুড় ২ টেবিল-চামচ। দই ২ কাপ (ফেটানো)। চাটমসলা ১ চা-চামচ।
শুকনা টালা গুঁড়ামসলার জন্য: শুকনা লালমরিচ টালা ৪টি। জিরা টালা ৩ চা-চামচ। এগুলো টেলে আলাদা আলাদা গুঁড়া করে রাখুন।
আরও লাগবে: পুদিনাপাতা, কাঁচামরিচের কুচি, পেঁয়াজকুচি সাজানোর জন্য। সব নিয়ে পাশে রাখুন। সঙ্গে ভাজা নিমকি ভেঙে দিতে পারেন।

যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে মাষকলাইয়ের ডাল রাত্রে ভিজিয়ে রাখুন বা তৈরির আগে পাঁচ থেতে ছয় ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ধুয়ে আধা কাপের চেয়েও কম পানি দিয়ে মিহি পেস্ট করে নিন। যেন থকথকে খামিরের মতো হয়। একটি বাটিতে পানি নিয়ে ছোট একটি ডালের বড়ি ফেলে দেখে নিন, খামির ঠিক হয়েছে কিনা। ভেসে উঠলে মনে করবেন খামির একদম ঠিক হয়েছে। এবার ডালের সঙ্গে আদাবাটা ও অল্প লবণ দিয়ে মিশিয়ে রেখে দিন ১০ মিনিট। এবার চুলার একদিকে তেল গরম করতে দিন। এই ফাঁকে একটি বড় বাটিতে ৩ কাপ পানি নিয়ে তাতে অল্প লবণ ও তেতুলের কাঁথ দিয়ে গুলে রাখুন।
তেল গরম হলে মাঝারি আঁচে রাখুন জ্বালটা। এখন ডালের খামির ছোট এক চামচ নিয়ে বড়ার মতো করে নিয়ে গরম তেলে ছেড়ে দিন। বাদামি করে ভেজে তুলুন আর সঙ্গে সঙ্গে পাশে তৈরি করে রাখা তেঁতুলপানিতে দিন বড়াগুলো। এতে বড়াগুলো নরম নরম থাকবে আর স্বাদটাও ভালো হবে। বড়াগুলো থেকে পানি চেপে বের করে পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। এখন অন্য একটি বাটিতে দই ফেটে নিন। তারপর টালা মসলা থেকে এক চামচ করে মরিচগুঁড়া ও জিরাগুঁড়া, তেঁতুলের কাঁথ, বিট লবণ, চিনি, অল্প চাটমসলা দিয়ে আবার দই ফেটে নিন। এখন পরিবেশন। ডালের বড়ার ওপর ফেটানো দই ঢেলে দিন। তারপর টালা গুঁড়ামসলা অল্প ছিটিয়ে দিয়ে উপরে চাটমসলা ছিটান। পুদিনাপাতার কুচি, কাঁচামরিচের কুচি, পেঁয়াজকুচি, নিমকি ভেঙে দিয়ে দই বড়া পরিবেশন করুন।

আরপি/ এএইচ

Leave a Reply

Back to top button
Close