আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে হিংসা বন্ধে উদ্যোগ নিন, মোদীকে অনুরোধ পাক সমাজকর্মীর – আগাম বার্তা

ইসলামাবাদ: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় পাকিস্তানে ক্রমাগত বেড়ে চলা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে সরব হন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এমনই আবেদন পাকিস্তানের সমাজকর্মী মুনাওয়ার সুফি লাঘারির৷ তাঁর দাবি মোদী যেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও অন্যান্য অংশে ঘটে চলা হিংসার ঘটনাগুলির সুবিচার চান৷

এদিন লাঘারি বলেন সিন্ধ প্রদেশ সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ৷ একটা আতঙ্ক কাজ করছে গোটা প্রদেশ জুড়ে৷ এই ভয় তখনই কাটবে, যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের কথা রাষ্ট্রসংঘের সামনে তুলে ধরবেন৷ কারণ পাকিস্তান সিন্ধ ও অন্যান্য প্রদেশে ঘটনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় নিয়ে চিন্তিত নয়৷

আরও পড়ুন : উড়ানের সময় খোলা মাঠে ভেঙে পড়ল ডিআরডিও-র বিমান

সিন্ধ প্রদেশের বহু মানুষ ভারতে বাস করেন, স্বাধীনতার পরে অনেকেই চলে গিয়েছেন সেখানে৷ ফলে সেইসব সিন্ধিদের স্বার্থের কথা ভেবে রাষ্ট্রসংঘে সরব হওয়া দরকার মোদীর বলে এদিন বক্তব্য রাখেন ওই পাক সমাজকর্মী৷

তবে এর আগেও রাষ্ট্রসংঘের ভারতের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে ঘটে চলা হিংসার ঘটনা নিয়ে সরব হন৷ শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদের সামনে দাঁড়িয়ে নয়াদিল্লি পরামর্শ দেয়, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ক্রমাগত ঘটে চলা একের পর এক হিংসার ঘটনা, বিশেষ করে বালুচিস্তান, সিন্ধ প্রদেশের মতো এলাকায় হিংসার ঘটনাগুলি বন্ধ করুক পাকিস্তান। তারপর কাশ্মীর নিয়ে মাথাব্যথা দেখাবে। কাশ্মীর নিয়ে মিথ্যা প্রচার বন্ধ করে ওই সব ঘটনাগুলির সুবিচার করার চেষ্টা করুক ইসলামাবাদ।

আরও পড়ুন : মোদী-মমতা বৈঠক: কেন মন্তব্য করতে চান না মুকুল

এদিন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি মালিহা লোধি জানান, ২০১৮ সালে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের দেওয়া রিপোর্টকে গুরুত্বই দেওয়া হয়নি। রাষ্ট্রসংঘ কাশ্মীর নিয়ে নিজের মতামত জানাতে ব্যর্থ। এমনকী কাশ্মীরে রাষ্ট্রসংঘের যে ভূমিকা দেখতে চেয়েছিল পাকিস্তান, আজ পর্যন্ত তা করা হয়নি।

রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৪২ তম সেশনে ভারতের দ্বিতীয় স্থায়ী প্রতিনিধি কুমোম মিনি দেবী জানান, এটা অবাক হওয়ার মত কোনও ঘটনা নয় যে কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু ইসলামাবাদ ভুলে যাচ্ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হিংসার ঘটনার পরিমাণ অনেক বেশি। প্রতিদিন সেখানে মানুষ মারা যাচ্ছেন, অথচ সেদিকে কোনও লক্ষ্যই নেই ভারতের প্রতিবেশি দেশের। খাইবার পাখতুনখোয়া, বালুচিস্তান বা সিন্ধের মতো প্রদেশে হাজার হাজার সংখ্যালঘু বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

Leave a Reply

Back to top button
Close