International

প্রতিটি দেশকে ফেসবুক-টুইটার বন্ধের আর্জি ট্রাম্পের

ওয়াশিংটন: কয়েকদিন আগেই টুইটার বন্ধ করে দিয়েছে নাইজেরিয়া সরকার। আর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (President) ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এরপরই তাঁর বার্তা, বিশ্বের অন্যান্য সব দেশেরও উচিত টুইটার (Twitter) ও ফেসবুক (Facebook) বন্ধ করে দেওয়া।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই মাধ্যমগুলিতে মুক্তভাবে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এসব মাধ্যম যদি বন্ধ রাখা যায় তাহলে অন্যরা এগিয়ে আসবে। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামবে নতুন সব যোগাযোগ মাধ্যম।

এখন প্রশ্ন উঠছে তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন কেন এমন সিদ্ধান্ত নেননি। এবিষয়ে ট্রাম্প (Donald Trump) জানান, তখন তার ফেসবুক-টুইটার নিষিদ্ধ করা উচিত ছিল। কিন্তু তা তিনি করেননি কারণ, ফেসবুক (Facebook) প্রধান মার্ক জুকারবার্গ তাঁর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তাঁর প্রশংসা করতেন।

প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এক বিবৃতিতে তাই সব দেশকে টুইটার ও ফেসবুক বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

নাইজেরিয়া (Nigeria) প্রসঙ্গ নিয়েও ট্রাম্প বলেন। তিনি প্রথমেই নাইজেরিয়ার সরকারকে অভিনন্দন জানান। তারপর বলেন, সে দেশের প্রেসিডেন্টের টুইট মুছে দেওয়ার পর তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং যেভাবে টুইটার (Twitter) নিষিদ্ধ করেছে তা প্রশংসানীয়। অন্য দেশগুলিরও উচিত টুইটারের সাথে সাথে ফেসবুককে (Facebook) নিষিদ্ধ করা। উল্লেখ্য, ট্রাম্পকেই টুইটারে (Twitter) স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফেসবুকেও আরও দু’বছরের জন্য তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নাইজেরিয়ায় (Nigeria) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ টুইটার (Twitter)। তাই এবিষয়ে নাইজেরিয়ার তথ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, অনির্দিষ্টকালের জন্য টুইটার (Twitter) বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিবৃতি দেওয়ার দু’দিন আগে সে দেশের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারির অ্যাকাউন্ট থেকে একটি টুইট (Tweet) মুছে ফেলে টুইটার (Tweet)।

নাইজেরিয়ার (Nigeria) তথ্য মন্ত্রী লাই মহাম্মদ বলেন, নাইজেরিয়ার (Nigeria) টুইটার (Twitter) পরিষেবা বন্ধ করা হচ্ছে কারণ সেখানকার কর্পোরেট অস্তিত্বকে খর্ব করতে পারে। নাইজেরিয়ায় টুইটারের গতিবিধি এবং উদ্দেশ্যও নাকি বেশ সন্দেহজনক।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button