Islam

প্রতিদিন গড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন ৬০০০ মানুষ

৯/১১ এর পরে পশ্চিমা’রা মু’সলিম দেশগুলোর উপর অন্যায়-অ’ত্যাচার শুরু করে। ইস’লামের দিকে ঝুঁকছে। ১১ ই সেপ্টেম্বর প্রচারমাধ্যমকে ইস’লামকে অনেক বেশি মনোযোগ দিয়েছে।

যদিও, মিডিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মু’সলিম ও ইস’লাম স’ম্পর্কে নেতিবাচক খবর প্রকাশ করেছে, এটি মানুষকে ইস’লাম স’ম্পর্কে গবেষণা করেছে। এর ফলে অনেকে ইস’লাম স’ম্পর্কে সত্যকে খুঁজে পেয়েছে এবং আরও সহ’জেই এটিকে তাদের বিশ্বা’স হিসাবে গ্রহণ করে।

সম্প্রতি ইকোনমিস্টের এক জরিপে উঠে এসেছে, সেখানে দৈনিক ৬০০০ মানুষ ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করছে।

যারা মু’সলিম হয়েছেন, মু’সলিম হওয়ার পর থেকে তিনি আরও শান্তিতে বোধ করেন এবং সঠিক বিশ্বা’স থাকার কারণে ইস’লাম তাদের জীবনকে আরও উন্নত করে তুলেছে।

টিনের ঘর থেকে বিশ্বজয় করা যোদ্ধা

ইতিহাস গড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে যুব টাইগাররা। আর এই শিরোপা জয়ে টুর্নামেন্ট জুড়ে অনেক বড় অবদান রেখেছেন বাঁহাতি স্পিনার রকিবুল হাসান। তাকে নিয়ে সর্বত্রই বইছে আলোচনার ঝড়। কেননা ময়মনসিংহের টিনের ছোট্ট একটি ঘর থেকে এসে বিশ্বজয় করে বাংলাদেশের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখালেন অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের এ খেলোয়াড়।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকে’টের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলের সদস্য রকিবুলের গ্রামের বাড়ি ফুলপুরে বইছে আনন্দের ব’ন্যা। চলছে মিষ্টি বিতরণ আর আনন্দ মিছিল। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজে’লা সদর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে রূপসী ইউনিয়নের বাশাটি গ্রামের ছেলে রকিবুল। স্থানীয়রা জানায়, রকিবুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করলেও স্থায়ীভাবে থাকেননি। তার বাবা শহীদুল ইস’লাম ঢাকায় থাকেন। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক। পরিবার নিয়ে তিনি সেখানেই থাকেন। তবে বছরে কয়েকবার গ্রামে বেড়াতে আসেন তারা। ওই সময় গ্রামের কিশোরদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ান। রূপসী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্রিকেটও খেলেন।

রকিবুলের গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, টিনের ছোট্ট পুরনো ঘরে কেউ না থাকায় রকিবুলের ফুফা কামাল হোসেন পরিবার নিয়ে থাকেন। এ সময় রকিবুলের ফুফু রোখসানা খাতুন বলেন, রকিবুল বেশি পড়তে চাইত না। সুযোগ পেলেই ক্রিকেট খেলায় লেগে যেত। এজন্য আম’রা বির’ক্ত থাকলেও সে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। আম’রা খুবই আনন্দিত। গ্রামের বিভিন্ন বয়সী মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রকিবুল যে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলছেন, এ খবর টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই জানে গ্রামবাসী। বিশেষ করে গ্রামের কিশোররা বেশি খবর রাখে। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই গ্রামের মানুষ রূপসী বাজারে গিয়ে রকিবুলের খেলা দেখেছে। ফাইনালে টানা উত্তে’জনার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বজয়ের শেষ রানটা আসে রকিবুলের ব্যাট থেকে। এ আনন্দের ঘোর কাটছেই না রকিবুলের গ্রামবাসীর। রাতেই গ্রামের মানুষ রকিবুলের দলের জয়ে আনন্দ মিছিল করেছে। উল্লেখ্য, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বোলিংয়ে বেশ ওপরের দিকেই রয়েছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার রকিবুল। ছয় ম্যাচে তার শিকার ১২ উইকেট। একটি হ্যাটট্রিক, ম্যাচে একবার ৪ ও একবার ৫ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব রয়েছে তার। তালিকার ছয় নম্বরে অবস্থান রকিবুলের।
Post navigation

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close