Bangladesh

প্রয়োজনে দেশে কারফিউ জারির পরামর্শ

ছবি: সংগৃহীত। : করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা পঞ্চাশে পেরিয়ে ৭৭ জনে পৌছেছে। দেশে প্রতি দিনই মৃত্যু ও সংক্রামণের সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মনে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বাড়লেও সচেতনতা বাড়ছে না সাধারণ মানুষের মনে। হাটবাজার-পথঘাটে অহরহ চলাফেরা। তাদের মনে কোন চিন্তার কোন বালাই নেই। স্বাস্থ্যবিধি মানার এমন অবহেলা দেখে বারবারই সতর্ক করে আসছিলেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কেউ যেন কানে তোলার নেই। ফলশ্রুতি করোনা ভাইরাসের দাপট। এর মধ্যে কাগুজে লকডাউনের শুরুতে ১১ দফা নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দূরপাল্লার বাস আর পর্যটনকেন্দ্র ছাড়া খোলা এখন সবই।

প্রশ্ন উঠেছে, তাই এ ধরনের লকডাউনের কার্যকারিতা নিয়ে। এদিকে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় মতামত এসেছে, অন্তত ২ সপ্তাহ যাতে পূর্ণ লকডাউন দেয়া হয়। সেখানে শুক্রবার সরকারের পক্ষ থেকে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের ঘোষণা এসেছে। তবে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ লকডাউন দেয়ার পাশাপাশি সংক্রমণপ্রবণ ৬টি জেলায় সেটা জোরালো করার বিকল্প দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক বলেন, করোনা সংক্রমণপ্রবন এলাকাতে কঠোর লকডাউন দেওয়া প্রয়োজন, প্রয়োজনে কারফিউ জারি করে সংক্রমণটাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

বিআইডিএসের সিনিয়র গবেষক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, যেহেতু দীর্ঘ মেয়াদি লকডাউনে আমরা যাচ্ছি না, যেমন ৭ দিন করে আবার বাদ দিয়ে ৭ দিন-১৫ দিন এভাবে বলা হচ্ছে। এ লকডাউন নিয়ে প্রশ্নই করা যায় যে, তাতে কি খুব করে করোনার ঝুঁকি কমবে। একসঙ্গে দিলে হয়তো ঝুঁকিটা কমানো যেত।

বাঁচতে হলে দ্রুত কাটতে হবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শেকল, এক্ষেত্রে জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ মেনে দুই সপ্তাহ লকডাউনে যাওয়ার ওপর জোর দেন ড. নাজনীন আহমেদ।

সূত্রঃ zoombangla

Back to top button