আন্তর্জাতিক

বিমানবন্দরে ইমরান খানকে স্বাগত জানাতে এলেন না কোনও মার্কিন আধিকারিক – আগাম বার্তা

ওয়াশিংটন: মার্কিন সফরে শুরুতেই ধাক্কা খেলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমরান খান৷ তাঁর সফর নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কোনও মাথাব্যথা নেই এমনটাই মত অনেকের, কারণ বিমানবন্দরে পাক প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একজন মার্কিন আধিকারিকও উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে৷

আরও জানা গিয়েছে, ব্যয় কমাতে প্রাইভেট নয়, কমার্শিয়াল ফ্লাইটে করেই সফর করেন পাক প্রধানমন্ত্রী৷ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কমার্শিয়াল ফ্লাইট থেকে ইমরান খান বের হচ্ছেন৷ তাঁকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন, বিদেশমন্ত্রী ফাওয়াদ কুরেশি এবং পাক রাষ্ট্রদূত আসাদ এম খান৷

পড়ুন: আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে পাকিস্তান: রিপোর্টে

তিন দিনের সফরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে ওয়াশিংটনে আসেন ইমরান খান৷ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন পাক সেনা প্রধান জেনারেল কামার বাজওয়া, ইন্টার সার্ভিস ইন্টালিজেন্সের ডিরেক্টর-জেনারেল ফইজ হামিদ এবং উপদেষ্টা আবদুল রাজ্জাক দাউদ৷

প্রসঙ্গত, সফরের খরচ কমাতে আমেরিকাতে বিলাসবহুল হোটেলে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইমরান। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতের সরকারি বাসভবনেই ওঠার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি। ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের তরফে আমেরিকায় পাকিস্তানি দূতাবাসকে সবরকম ব্যবস্থা করার কথাও জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পড়ুন: প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

রাজনৈতিকমহলের মতে, খরচ কমাতে পাক প্রধানমন্ত্রীর এহেন সিদ্ধান্ত একেবারেই নজিরবিহীন। পাকিস্তানের ইতিহাসে নাকি এমন কোনও নজির নেই বলেই মনে করছেন সে দেশের রাজনীতির কারবারিরা।

যদিও পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর এহেন সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে দেখছে না মার্কিন প্রশাসন। খরচ কমাতে ইমরানের পাক রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে থাকার ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। সাধারণত, আমেরিকায় নামার পর থেকেই যে কোনও কূটনীতিকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা। এদিকে, রাষ্ট্রদূতদের বাসভবন ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক এনক্লেভের মধ্যে অবস্থিত। ওই এলাকায় ভারত, তুরস্ক, জাপান সহ প্রায় একডজন দেশের দূতাবাস রয়েছে। বাসভবন ছোট হওয়ায় পাক দূতাবাসেই মার্কিন আধিকারিক, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে ইমরানকে। দিনের ব্যস্ত সময়ে তাঁর যাওয়া আসায় যানজটের সমস্যা হবে বলেই মনে করছে মার্কিন প্রশাসন।

Leave a Reply

Back to top button
Close