Technology

বিরল ঘটনা, প্রায় সম্পূর্ণ ডাইনোসরের হাড় আবিষ্কার চিনে

বেজিং: দক্ষিণ পশ্চিম চিনে এক ডাইনোসরের জীবাশ্ম (fossil) আবিষ্কার করলেন বিজ্ঞানীরা (Paleontologists)। এই জীবাশ্ম প্রায় ৭০ শতাংশ অক্ষত রয়েছে। জুরাসিক পিরিয়ডের (Jurassic period) এই ডাইনোসরের দৈর্ঘ্য ছিল ৮ মিটার। এর বয়স প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বছর বা ১৮ কোটি বছর পুরনো।

মে মাসের শেষের দিকে দক্ষিণ চিনের ইউনান প্রদেশের (Yunnan) লুফেংয়ে (Lufeng) এই জীবাশ্ম আবিষ্কার হয়। এই দুর্দান্ত আবিষ্কারের পরে, ডাইনোসর জীবাশ্ম সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের কর্মীরা (Dinosaur Fossil Conservation and Research Center) অবশিষ্ট হাড়ের ক্ষয়ক্ষতি রোধে জরুরি খননকাজ শুরু করেন। জানা গিয়েছে এই অঞ্চলে মাটির ক্ষয় হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। তাই দ্রুত কাজ সম্পাদন করার দিতে মনোনিবেশ করেছেন তাঁরা।

লুফেং শহরের ডাইনোসর জীবাশ্ম সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ওয়াং তাও (Wang Tao) বলেছেন, জীবাশ্মটি লুফেনগোসরস (Lufengosaurus) প্রজাতির এক ডাইনোসরের। এর জীবাশ্ম পাওয়া খুব বিরল ঘটনা। এই জীবাশ্মকে জাতীয় সম্পদ (national treasure) বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। ওয়াং তাও আরও বলেছেন, ডাইনোসরের সম্পূর্ণ জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া সারা বিশ্বের মধ্যে বিরল। বছরের পর বছর ধরে যে জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছিল তার উপর ভিত্তি করে এতদিন গবেষণা চালানো হয়েছে। তাদের লেজ এবং উরুর হাড়ের উপরে গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে এসেছিলেন দৈত্যাকৃতির লুফেনগোসরাস জুরাসিক যুগের প্রথম দিকে বর্তমান ছিল।

আবিষ্কারের জায়গায় খননকারীদের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে শ্রমিকরা কঙ্কাল থেকে লাল মাটি সাফ করছেন। লুফেনগোসরাস হল ম্যাসোসপন্ডিলাইড ডাইনোসরদের (massospondylid dinosaurs) একটি প্রজাতি। জুরাসিক যুগে দক্ষিণ পশ্চিম চিনে ছিল এদের বাসস্থান। ২০১৭ সালে এই প্রজাতির খবর আন্তর্জাতিক সংবাদে স্থান পেয়েছিল। তখন বিজ্ঞানীরা একটি লুফেনগোসারাসের জীবাশ্মের পাঁজরে কোলাজেন প্রোটিন (collagen protein) পেয়েছিলেন। ওই ডাইনোসরের জীবশ্মের বয়স ছিল ১৯৫ মিলিয়ন বছর।

তবে এই বছর চিনে এটিই একমাত্র উল্লেখযোগ্য ডাইনোসরে ফসিলের সন্ধান নয়। জানুয়ারিতে ১২০ মিলিয়ন বছর পুরনো এক জীবাশ্মের সন্ধান পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। তার মাধ্যমে ডাইনোসর এবং আধুনিক পাখির মধ্যে যোগসূত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল। গবেষকরা জীবাশ্ম বিশ্লেষণ করে সেটিকে প্রজাতিটিকে ‘ওলং বোহেনেসিস’ (Wulong bohaiensis) বা ‘দ্য ডান্সিং ড্রাগন’ (the dancing dragon) প্রজাতিভুক্ত বলে দাবি করেন। এটি পাখি এবং ডাইনোসরের একটি অদ্ভুত মিশেল ছিল। চিন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলেছেন যে ডাইনোসরটি ছিল দীর্ঘ। এর লেজ ছিল হাড়যুক্ত। এর দেহ ছিল পালক দিয়ে আবৃত।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

Back to top button