International

বিশ্বে প্রথম, ফ্লাইং কারের জন্য বিমানবন্দর তৈরি করছে ব্রিটেন

লন্ডন: পাখি? বিমান? নাকি মাটির দিকে ধেয়ে আসছে কোনও ফ্লাইং কার? আর কিছুদিন পর এই প্রশ্নটাই জাগবে মানুষের মনে। কারণ ব্রিটেনে তৈরি হচ্ছে ফ্লাইং কার বিমানবন্দর।

শুনতে কল্পবিজ্ঞানের কোনও গল্পের মতো লাগছে? কিন্তু এ বছর নভেম্বর থেকে বিশ্ববাসী এমন ঘটনারই সাক্ষী থাকতে চলেছে। এ বছর নভেম্বরেই ব্রিটেনের কভেন্ট্রি শহরে তৈরি হতে চলেছে এই অভিনব বিমানবন্দর। সরকারি সংস্থা, প্রাইভেট সেক্টর বিজনেস ও অ্যাভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে মিলে এই ছোট বিমানবন্দর তৈরি করতে চলেছে ব্রিটেন। এটি তৈরি করবে আর্বান এয়ারপোর্ট। হুন্ডাই মোটর গ্রুপের আর্বান এয়ার মোবিলিটি ডিভিশন ও কভেন্ট্রি সিটি কাউন্সিল এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এখানে শুধু ফ্লাইং কারই ওঠানামা করবে।

এই পপ-আপ এয়ারপোর্টটি ভবিষ্যতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এক অন্য মাত্রা যোগ করতে চলেছে। আর্বান বিমানবন্দরের প্রতিষ্ঠাতা ও একজিকিউটিভ চেয়ারম্যান রিকি সন্ধু জানিয়েছেন, “গাড়ির জন্য সড়ক পথ প্রয়োজন। ট্রেনের জন্য রেল লাইন। বিমানের জন্য প্রয়োজন বিমানবন্দর। আর eVTOL-এর জন্য আর্বান এয়ারপোর্টের প্রয়োজন।” নতুন এই বিমানবন্দরের নাম দেওয়া হয়েছে এয়ার-ওয়ান (Air-One)। রিকি সন্ধু আরও জানিয়েছেন, জাপান সব বিশ্বের একাধিক দেশ ফ্রাইং কার তৈরির কথা বলছে। কিন্তু এই গাড়ি ওঠানামার জন্য কোনও আদর্শ জায়গা নেই। তাই এয়ার-ওয়ান বিমানবন্দরের পরিকল্পনা।

জানা গিয়েছে এই প্রকল্পের জন্য ১২ লক্ষ টাকা সরকারি অনুদান পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া হুন্ডাইয়ের মতো সংস্থাকেও পাশে পেয়েছে ‘আরবান এয়ারপোর্ট’। এই বিমানবন্দরে থাকবে একটি ছোট্ট রানওয়ে। এছাড়া ১৪ মিটার ব্যাসার্ধের ল্যান্ডিং প্যাডও থাকছে বিমানবন্দরে। ফ্লাইং কার মাটিতে নামার সময় প্যাড ছুঁলেই তা নিজে থেকেই বন্দরের ভিতর প্রবেশ করবে। ব্রিটেনের কভেন্ট্রি শহরের রিকো এরিনা স্টেডিয়ামের কাছে একটি পার্কিং লটে তৈরি হচ্ছে ফ্লাইং কারের এই বিমান বন্দর। শোনা যাচ্ছে এটি মোবাইল এয়ারপোর্ট। প্রয়োজন পড়লে এটি অন্যত্রও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।

Back to top button