offbeat news

বোতলের তলায় ত্রিকোন চিহ্নটা কীসের জন্য

ঠান্ডা পানীয় থেকে জলের বোতল, কখনও কি লক্ষ্য করেছেন, এগুলির নিচে থাকে ত্রিকোণ চিহ্ন? হয়তো লক্ষ্য করেছেন কিন্তু সে নিয়ে বিশেষ চিন্তা-ভাবনা করেননি৷ আজ আপনাকে এই চিহ্নেরই অর্থ জানাবো…একবার চোখ বুলিয়ে নিন নিচের লেখাতে…

বিভিন্ন প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স জানাতেই এই চিহ্ন ব্যবহৃত হয়৷ বোতলটি যে বিধিসম্মতবাবে তৈরি তারই প্রমাণ দেয় এই চিহ্ন৷ তবে এর মধ্যে থাকা সংখ্যা নির্দেশ দেয় এই বোতলটি কতটা নির্ভরযোগ্য৷

ত্রিকোণের মাঝে ১ লেখা- এর অর্থ বোতলটি তৈরির ক্ষেত্রে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে, তাই একবারের বেশি এর ব্যবহার স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক হতে পারে৷

ত্রিকোণের মাঝে ২ লেখা- মূলত সাবান গুঁড়ো, শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়৷

ত্রিকোণের মাঝে ৩ লেখা- এই ধরনের প্ল্যাস্টিকে ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’-র ব্যবহার হয়ে থাকে৷ এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে বলে আশঙ্কা করা হয়৷

ত্রিকোণের মাঝে ৪ লেখা- দামি বোতল থেকে প্ল্যাস্টিক প্যাকেটে এই সংখ্যা হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন৷ এর অর্থ আপনি একাধিকবার ব্যবহার করতে পারেন সেটি৷

ত্রিকোণের মাঝে ৫ লেখা- খাবারের কন্টেনারে এই সংখ্যা থাকলে বুঝতে হবে তা অনেকবারই ব্যবহার করতে পারবেন এবং তা যথেষ্ট নিরাপদও৷

ত্রিকোণের মাঝে ৬ লেখা- এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ৷ এর থেকে ক্যানসারের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে মত অনেকের৷ তাই এর ব্যবহারে ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যায়৷

ত্রিকোণের মাঝে ৭ লেখা- এক্ষেত্রেও তাই৷ মানবশরীরের হরমোনজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় বলে মনে করেন অনেকে৷

তবে প্ল্যাস্টিকের ওপর চিহ্ন বা সংখ্যা যাই থাকুক, তার অর্থ নিয়ে যতই তর্ক-বিতর্ক থাকুক, এর ব্যবহারের বিষয়ে বেশিরভাগ জনই কিন্তু সতর্কবাণী দিয়ে থাকেন৷ তাই প্লাস্টিকের ব্যবহার সম্পর্কে আপনিও সতর্ক থাকুন৷

লাল-নীল-গেরুয়া…! ‘রঙ’ ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা ‘খাচ্ছে’? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম ‘সংবাদ’!

‘ব্রেকিং’ আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের।

কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে ‘রঙ’ লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে ‘ফেক’ তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই ‘ফ্রি’ নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.
হ্যাঁ, আমি অনুদান করতে ইচ্ছুক >

অতিমারীর মধ্যে দূরে থেকে কিভাবে চলছে পাবলিক রিলেশন জানাচ্ছেন পি.আর বিশেষজ্ঞ অরিন্দম বসু।

Back to top button